ব্রেকিং নিউজ
Home / আদালত / ইসি ভোটের তারিখ পরিবর্তন আদালতের দিকে তাকিয়ে

ইসি ভোটের তারিখ পরিবর্তন আদালতের দিকে তাকিয়ে

নির্বাচন কমিশন ঢাকার দুই (উত্তর-দক্ষিণ) সিটির ভোটের দিন পরিবর্তনের বিষয়ে আদালতের দিকে তাকিয়ে । মঙ্গলবার এ বিষয়ে হাইকোর্ট আদেশ দেবেন। সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। দেড় ঘণ্টার সভা শেষে ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, হতাশ মনে এই নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের বিদায় নিতে হয়েছে। তারা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলেছেন, আমরা আমাদের হৃদয়ের অনুভূতির কথা বলেছি। আমরা বলতে চাই, এ আলোচনার মধ্য দিয়ে কোনো সমস্যার সুরাহা করতে পারিনি। রানা দাশগুপ্ত বলেন, সরকারের হিসাব অনুযায়ী ২৯শে জানুয়ারি সরস্বতী পূজা। আমরা বলার চেষ্টা করেছি, ২৯শে জানুয়ারি সাড়ে ১০টার পর থেকে শ্রী পঞ্চমী তিথি শুরু হবে।

তারপর দিন ৩০শে জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে তিথির অবসান ঘটবে। নিয়ম হলো, শ্রী পঞ্চমী তিথির সকালবেলা সূর্যোদয়ের পর সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এটাই ধর্মীয় শাস্ত্রীয় রীতি বা বিধান। ৩০শে জানুয়ারি নির্বাচন হলে পূজা হবে কোথায়? আমাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবের সাথে পূজা হয়। নির্বাচন হলে কী করে পূজা করবে?
বৈঠকের পর ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর বলেন, এ বিষয়ে আদালতে একটি রিট মামলা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার আদালত সিদ্ধান্ত দেবে। আমরা সেই সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি। মামলাটি আদালতে থাকায় এ বিষয়ে কমিশন এখন কিছু বলবে না। আদালত যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, কমিশন সেভাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে। ইসি সচিব আরও বলেন, আমাদের সরকারি ক্যালেন্ডার মেনে চলতে হয়। সরকারি ক্যালেন্ডারে সরস্বতী পূঁজার বন্ধ দেখানো আছে ২৯শে জানুয়ারি। এটা আবার ঐচ্ছিক বন্ধ, কোনো সরকারি বন্ধ নয়। অফিস, আদালতসহ সরকারি সব প্রতিষ্ঠানই খোলা থাকে।
রোববার নির্বাচনী প্রচারে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে কমিশন উদ্বিগ্ন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশনের কাছে এ ধরনের কোনো রিপোর্ট নেই। এটা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব। যদি কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটে, তার প্রমাণসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আপত্তি দিতে পারেন। তখন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে যে ক্ষমতা দেয়া আছে, সে অনুযায়ী তিনি ব্যবস্থা নেবেন। যেখানে কমিশনের প্রয়োজন, তা কমিশনে রেফার করলে কমিশন ব্যবস্থা নেবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা অন্য যেসব সংস্থা আছে সরকারের, সবাইকে কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া আছে যেন সবাই সমভাবে প্রচার করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this:
Skip to toolbar