Home / অন্যান্য / অপরাধ / পুলিশেরই অনাগ্রহ কুমিল্লায় পুলিশ পেটানোর মামলা নিতে

পুলিশেরই অনাগ্রহ কুমিল্লায় পুলিশ পেটানোর মামলা নিতে

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা চার পুলিশ সদস্যকে পেটানোর ঘটনায় নয় দিনেও হামলাকারী কাউকে আটক করা যায়নি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে । এমনকি আহত পুলিশ সদস্যরা মামলা করার চেষ্টা করেও পারেননি। ।

গত ২৭ নভেম্বর রাতে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার খোদাইভিটা এলাকায় মাদক বিক্রির অভিযোগে মো. শহিদ নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। আটকের জের ধরে উপজেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন সদস্য পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ চার সদস্যকে পিটিয়ে ও ইট-পাটকেল মেরে আহত করে।

আহতরা হলেন মনোহরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মিন্টু মোল্লা ও মামুন মিয়া এবং কনস্টেবল আনিস ও নায়েব আলী।

এই ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয় আহত পুলিশদের পক্ষ থেকে। কিন্তু থানায় এই অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে না।

আহত চার পুলিশ সদস্য জানিয়েছেন, তাদের উপর হামলাকারীরা এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে কয়েকবার অভিযোগ দিলেও তিনি তাদের অভিযোগগুলো গ্রহণ করেননি।

একজন পুলিশ সদস্য বলেন, ‘আমরা পুলিশ সদস্যরা ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মার খেয়েছি। এটা আমাদের জন্য লজ্জার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামছুজ্জামান বলেন, ‘এসআইসহ চার পুলিশ সদস্যদের উপর হামলার যে অভিযোগ উঠেছে, তা এমন কোন ঘটনা না যে, থানায় মামলা হবে। এখন পর্যন্ত কেউ আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসেনি।’

একই দিন দুর্বৃত্তের হামলায় আহত হয়েছেন কুমিল্লারই দাউদকান্দি থানার কনস্টেবল মো. হাসান। ওই রাত পৌনে নয়টার  দিকে হাসান গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন শেষে মোটরসাইকেল যোগে দাউদকান্দি থানায় যাচ্ছিলেন। হাসানপুর এলাকায় দুস্কৃতকারীরা মোটর সাইকেলের গতিরোধ করে হাসানকে কুপিয়ে আহত করে।

এই ঘটনায় হাসানের বাবা মানিক জমদ্দার বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তবে এই মামলারও আসামি গ্রেপ্তার হয়নি এখনও।

 এ বিষয়ে জানতে চাইলে দাউদকান্দি মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমরা হামলার বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। আশা করি পুলিশের উপর হামলাকারীদের শিগগির আইনের আওতায় আনতে পারব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar