Home / অর্থ-বাণিজ্য / রাজনীতির দোকান খুলবেন না বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে : কাদের

রাজনীতির দোকান খুলবেন না বঙ্গবন্ধুর ছবি দিয়ে : কাদের

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের ছবি ব্যবহার করে রাজনীতির দোকান না খুলতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ।

বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে তাঁতী লীগ আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অনেকেই বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙিয়ে, তার নাম ভাঙিয়ে রাজনীতির দোকান খুলে বসেছে। এমনকি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি দিয়ে দোকান খুলেছে। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নাম-ছবি ব্যবহার করে কোনো রাজনৈতিক দোকান খোলা যাবে না।’

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধু পরিবার সততার উৎকৃষ্ট উদাহরণ উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে সৎ পরিবার হচ্ছে বঙ্গবন্ধু পরিবার। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার পরিবারের সদস্যরা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তারা কাজ করে জীবনধারণ করেন। রাজনীতিতে এসে টাকা-পয়সা অবৈধভাবে আয় করার কোনো ইচ্ছা তাদের নেই।’

আলোচনা সভায় বিএনপির সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই দল জাতির পিতার খুনের সঙ্গে জড়িত। জাতির পিতার কন্যা বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামের কাণ্ডারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড হামলা করে হত্যার চক্রান্ত করেছিল। এই সত্য জনগণের বিবেকের আদালতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। সেই কারণেই বিএনপি অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে এবং ভবিষ্যৎকে বিপন্ন মনে করে দলটির নেতারা আবোল তাবোল কথা বলছেন।’

‘খুন আর হত্যার রাজনীতিতে বিএনপির হাত রক্তে রঞ্জিত। তারা বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে জাতির পিতাকে মুছে দেয়ার চেষ্টা কম করেনি। ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে তারা যতই মুছে ফেলতে চেয়েছে ততই তারাই নিজেরা মুছে গেছে, সংকুচিত হয়েছে। আজকের তারেক রহমানের দম্ভোক্তি, কারণ ২১ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড তিনি আর জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের মাস্টার মাইন্ড।’

তারেক জিয়া লন্ডনে বসে মিথ্যাচার করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড, তারেক রহমান ২১ আগস্টের মাস্টারমাইন্ড। আগস্ট মাসে সত্যের মুখোমুখি হলে তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়। এখন আবার কাকে নাকি জাতীয়তাবাদী জাতির পিতা বানাচ্ছে। টেমস নদীর পারে বসে বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয় নিয়ে যারা মিথ্যাচার করে তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।’

তাঁতি লীগের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ শওকত আলীর সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, তাঁতি লীগের সাধারণ সম্পাদক খগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar