Home / আর্ন্তজাতিক / সেনা ভারতে কৃতি ছাত্রীকে ধর্ষণে জড়িত

সেনা ভারতে কৃতি ছাত্রীকে ধর্ষণে জড়িত

পুলিশ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের রিওয়ারিতে এক মেধাবি ছাত্রীর গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত তিন জনের সবাইকেই চিহ্নিত করে । এদের সবার ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

রাজ্য পুলিশের ডিজিপি এ সান্ধু সংবাদমাধ্যমে জানান, ওই অভিযুক্ত একজন সেনা জওয়ান। ওই জওয়ান বর্তমানে রাজস্থানের কোটায় কর্মরত। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

জি নিউজ জানায়, রিয়ারির ওই ছাত্রী সিবিএসইর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় রাজ্যে প্রথম হয়েছিলেন। পুরস্কার নিয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতির হাত থেকে। ফলে বুধবারে এই ছাত্রীর গণধর্ষণের ঘটনা সাড়া ফেলে দেয় গোটা রাজ্যে।

ঘটনার পরই অভিযুক্তদের সম্পর্কে তথ্য জোগাড় করতে এক লাখ রুপি পুরস্কার দেয়ার কথা ঘোষণা করে দেয় পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশ তিন অভিযুক্তের ছবি প্রকাশ করেছে। মণীষ, নিশু ও পঙ্কজ নামে ওই তিনজনের মধ্যে পঙ্কজ সেনাবাহনীতে কর্মরত।

অভিযুক্তদের খুব তাড়াতাড়ি নাগাল পাওয়া যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন হরিয়ানার ডিজিপি এস সান্ধু।

পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়েছেন, নির্যাতিতার অভিযোগ নিতে পুলিশের কোনও গাফিলতি ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

অভিযুক্তদের সম্পর্কে খবর দেয়ার আবেদন জানিয়েছেন পুলিশ সুপার নাজনিন ভাসিন।

শনিবার তিনি বলেন, নির্যাতীতার ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল গঠন করা হয়েছে।

বুধবার কোচিং সেন্টার থেকে ঘরে ফিরছিলেন এই কৃতী ছাত্রী। রাস্তায় তার পথ আটকায় একটি গাড়ি। গাড়িতে থাকা তিনজন তাকে তুলে নেয় ও নিকটবর্তী একটি ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। নির্যাতিতার অভিযোগ দুষ্কৃতীরা সবাই তার গ্রামের বাসিন্দা।

নিগৃহীতা ছাত্রীর পরিবারের দাবি, তাদের অভিযোগে প্রথমে খুব একটা আমলে নেয়নি স্থানীয় থানা। কেবল একটা এফআইআর নিয়েই দায় সেরেছে তারা। বরং অভিযোগ দায়ের করতে ছাত্রীর পরিবারের লোকদের এক থানা থেকে অন্য থানায় ছুটে বেড়াতে হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে ক্ষোভে যন্ত্রণায় কাতর ছাত্রীটির মা বলেন, ‘আমার মেয়ে সিবিএসই-তে শীর্ষ স্থান অধিকার করেছিল, স্বয়ং মোদিজির হাত থেকেও পুরস্কার নিয়েছে। মোদিজি বলেন, বেটি পড়াও, বেটি বাঁচাও। কিন্তু তা আর কীভাবে সম্ভব? আমি বিচার চাই, পুলিশ এখনও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar