Home / অন্যান্য / নির্বাচন / প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানালেন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে ইইউ

প্রধানমন্ত্রী স্বাগত জানালেন নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাবে ইইউ

আগামী নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে দেশের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থার প্রশংসা করে বিদায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদুন বলেছেন । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে তাদের উদ্যোগে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবিবার তাঁর কার্যালয়ে বিদায়ী ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রেস সচিব বলেন, বাংলাদেশ ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়াতে বাংলাদেশ এই লক্ষ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো এসব অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে পারে। যেটি উভয়ের জন্য লাভজনক।

ইহসানুল করিম বলেন, ইইউ অ্যাম্বাসেডরও বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর কথা বলেছেন। বাংলাদেশে বাণিজ্য পরিবেশে উন্নয়নে বাংলাদেশ ও ইইউ বিজনেস ডায়ালগ প্রক্রিয়ার প্রশংসাও করেন তিনি।

পিয়েরে মায়েদুন বাংলাদেশের শ্রম আইন ও ইপিজেড-এর খসড়া আইন আরও পর্যলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্টের প্রশংসা করেন। শ্রম অধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশকে সফলতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রসঙ্গে পিয়েরে মায়েদুন বলেন, আবহাওয়া ভালো থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনে সহযোগিতার জন্য ইইউ’র নেয়া ‘ইউরো হরাইজন ২০২০’ বাংলাদেশের আরও বেশি অংশগ্রহণে উৎসাহ দেন তিনি।

হরাইজন ২০২০’ অধিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নির্দেশনা প্রধান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পিয়েরে মায়েদুন ডিজিটাল বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নিজেকে এই পরিবর্তনের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেন।

ব্লু ইকোনোমিতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভবনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশের শ্রমিকদের অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ গঠনের প্রধান লক্ষ্য ছিল শ্রমিক ও মেহনতি অধিকার আদায় করা।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১৬০০ টাকা থেকে ৫৩০০ টাকা করার কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। শ্রমিকদের কল্যাণে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*