Home / জাতীয় / সরকার ই-পাসপোর্টের কথা ভাবছে

সরকার ই-পাসপোর্টের কথা ভাবছে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, ই-পাসপোর্ট হলে সাথে করে পাসপোর্ট বহন করা লাগবে না অথবা বিদেশ গিয়ে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কোনো বিড়ম্ভনার শিকার হতে হবে না। একটি ‘চিপস’ এর মধ্যেই পাসপোর্টধারীর সব তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে। বিমানবন্দরে গিয়ে পাসপোর্ট নম্বর বললেই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।

বুধবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরজাহান বেগমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে অনেক আগেই উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সে অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। তাঁরই নির্দেশনায় আমরা ই-পাসপোর্ট করতে যাচ্ছি।’

মহিলা আসন-৪২ এর নূরজাহান বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে অনুমদিত বারের সংখ্যা ১৪৪টি। অনুমোদনবিহীন কোনো বারের তথ্য সুনির্দিষ্ট পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (পুলিশ) কেউ অপরাধ করলে তাদের ক্লোজড করে (পুলিশ) হেড কোয়ার্টারে আনা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময় ওই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা কেউ জানে না। এ বিষয়ে মহিলা আসন-৪ এর সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতির এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের কমপ্লেইন আসলে সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকশন নেয়া হয়। ক্লোজড করা হয় কিংবা তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় যখনই কমপ্লেইন আসে। সেটার গুরুত্ব বুঝে তাকে ক্লোজড করা হয় বা অন্যরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা একটি ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করে তার এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করি। এই তদন্তের পর তার বিরুদ্ধে যা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সেটা আমরা মাঝে মাঝেই বিভিন্নভাবেই জানিয়ে দিই। আবার কেউ যদি এটার সম্পর্কে জানতে চায় তাকেও আমরা জানিয়ে দিই।’

উম্মে কুলসুমের স্মৃতির অপর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। আগের তুলনায় গুলশানে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অবৈধ মাদক বিক্রির তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন সোর্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মাদক বিক্রির কোনো সংবাদ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সাথে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত এমন কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে তথ্য পাওয়া গেলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়।’

মৌলভীবাজার-২ আসনের এমপি মো. আবদুল মতিন মোল্লার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আমাদের পুলিশকে আরও শক্তিশালী করতে নৌ-পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের মতো বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট তৈরি করছি। সেজন্য আমাদের গাড়িরও প্রয়োজন। আমাদের প্রত্যেকটা থানায় গাড়ির ব্যবস্থা হয়েছি। এখন প্রত্যেকটা থানায় যখন নতুন নতুন করে জনবল দিচ্ছি, তাদের জন্যও গাড়ির প্রয়োজন পড়ছে। এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আমরা ডিস্ট্রিবিউশন করছি। মৌলভীবাজারে খুব শিগগির আমরা গাড়ি দেব।’ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

মন্ত্রী বলেন, ই-পাসপোর্ট হলে সাথে করে পাসপোর্ট বহন করা লাগবে না অথবা বিদেশ গিয়ে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কোনো বিড়ম্ভনার শিকার হতে হবে না। একটি ‘চিপস’ এর মধ্যেই পাসপোর্টধারীর সব তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে। বিমানবন্দরে গিয়ে পাসপোর্ট নম্বর বললেই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।

বুধবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরজাহান বেগমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে অনেক আগেই উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সে অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। তাঁরই নির্দেশনায় আমরা ই-পাসপোর্ট করতে যাচ্ছি।’

মহিলা আসন-৪২ এর নূরজাহান বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে অনুমদিত বারের সংখ্যা ১৪৪টি। অনুমোদনবিহীন কোনো বারের তথ্য সুনির্দিষ্ট পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (পুলিশ) কেউ অপরাধ করলে তাদের ক্লোজড করে (পুলিশ) হেড কোয়ার্টারে আনা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময় ওই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা কেউ জানে না। এ বিষয়ে মহিলা আসন-৪ এর সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতির এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের কমপ্লেইন আসলে সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকশন নেয়া হয়। ক্লোজড করা হয় কিংবা তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় যখনই কমপ্লেইন আসে। সেটার গুরুত্ব বুঝে তাকে ক্লোজড করা হয় বা অন্যরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা একটি ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করে তার এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করি। এই তদন্তের পর তার বিরুদ্ধে যা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সেটা আমরা মাঝে মাঝেই বিভিন্নভাবেই জানিয়ে দিই। আবার কেউ যদি এটার সম্পর্কে জানতে চায় তাকেও আমরা জানিয়ে দিই।’

উম্মে কুলসুমের স্মৃতির অপর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। আগের তুলনায় গুলশানে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অবৈধ মাদক বিক্রির তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন সোর্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মাদক বিক্রির কোনো সংবাদ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সাথে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত এমন কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে তথ্য পাওয়া গেলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়।’

মৌলভীবাজার-২ আসনের এমপি মো. আবদুল মতিন মোল্লার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আমাদের পুলিশকে আরও শক্তিশালী করতে নৌ-পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের মতো বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট তৈরি করছি। সেজন্য আমাদের গাড়িরও প্রয়োজন। আমাদের প্রত্যেকটা থানায় গাড়ির ব্যবস্থা হয়েছি। এখন প্রত্যেকটা থানায় যখন নতুন নতুন করে জনবল দিচ্ছি, তাদের জন্যও গাড়ির প্রয়োজন পড়ছে। এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আমরা ডিস্ট্রিবিউশন করছি। মৌলভীবাজারে খুব শিগগির আমরা গাড়ি দেব।’ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

মন্ত্রী বলেন, ই-পাসপোর্ট হলে সাথে করে পাসপোর্ট বহন করা লাগবে না অথবা বিদেশ গিয়ে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে কোনো বিড়ম্ভনার শিকার হতে হবে না। একটি ‘চিপস’ এর মধ্যেই পাসপোর্টধারীর সব তথ্য সন্নিবেশিত থাকবে। বিমানবন্দরে গিয়ে পাসপোর্ট নম্বর বললেই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।

বুধবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরজাহান বেগমের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে অনেক আগেই উদ্যোগ নিয়েছেন এবং সে অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। তাঁরই নির্দেশনায় আমরা ই-পাসপোর্ট করতে যাচ্ছি।’

মহিলা আসন-৪২ এর নূরজাহান বেগমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে দেশে অনুমদিত বারের সংখ্যা ১৪৪টি। অনুমোদনবিহীন কোনো বারের তথ্য সুনির্দিষ্ট পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (পুলিশ) কেউ অপরাধ করলে তাদের ক্লোজড করে (পুলিশ) হেড কোয়ার্টারে আনা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময় ওই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা কেউ জানে না। এ বিষয়ে মহিলা আসন-৪ এর সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম স্মৃতির এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের কমপ্লেইন আসলে সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকশন নেয়া হয়। ক্লোজড করা হয় কিংবা তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় যখনই কমপ্লেইন আসে। সেটার গুরুত্ব বুঝে তাকে ক্লোজড করা হয় বা অন্যরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে আমরা একটি ইনকোয়ারি কমিটি গঠন করে তার এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করি। এই তদন্তের পর তার বিরুদ্ধে যা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সেটা আমরা মাঝে মাঝেই বিভিন্নভাবেই জানিয়ে দিই। আবার কেউ যদি এটার সম্পর্কে জানতে চায় তাকেও আমরা জানিয়ে দিই।’

উম্মে কুলসুমের স্মৃতির অপর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশানে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে। আগের তুলনায় গুলশানে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অবৈধ মাদক বিক্রির তথ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন সোর্স নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মাদক বিক্রির কোনো সংবাদ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সাথে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সাথে জড়িত এমন কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে তথ্য পাওয়া গেলেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়।’

মৌলভীবাজার-২ আসনের এমপি মো. আবদুল মতিন মোল্লার প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আমাদের পুলিশকে আরও শক্তিশালী করতে নৌ-পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশের মতো বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট তৈরি করছি। সেজন্য আমাদের গাড়িরও প্রয়োজন। আমাদের প্রত্যেকটা থানায় গাড়ির ব্যবস্থা হয়েছি। এখন প্রত্যেকটা থানায় যখন নতুন নতুন করে জনবল দিচ্ছি, তাদের জন্যও গাড়ির প্রয়োজন পড়ছে। এই সব বিষয় মাথায় রেখেই আমরা ডিস্ট্রিবিউশন করছি। মৌলভীবাজারে খুব শিগগির আমরা গাড়ি দেব।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*