Home / অন্যান্য / অপরাধ / যেন ওরা পার পেয়ে না যায়

যেন ওরা পার পেয়ে না যায়

এক মেয়ে প্রবাসী তিন ছেলের বউ ও ক’দিন আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেড়াতে আসা সেই পরিবারের । প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে ঘুমাতে যান বৃদ্ধা মা ফাতেমা বেগম। রাত ১টার দিকে ঘরের ভেতর অচেনা চার পুরুষের আগমনে ঘুম ভেঙে যায় তাদের। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে চার যুবক। কেড়ে নেয় মোবাইল ফোন ও ঘরের চাবি। পরের কাহিনী সবারই জানা। ওই নরপশুরা স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা–পয়সা লুটপাট শেষে ধর্ষণ করে চার নারীকে। এদের মধ্যে তিন নারী ফাতেমা বেগমের পুত্রবধূ, চতুর্থজন বেড়াতে আসা তাঁর মেয়ে।

নানা নাটকীয়তার পর প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নির্দেশে অনেকটা বাধ্য হয়ে মামলা নেয় কর্ণফুলী থানা পুলিশ। কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুল মোস্তফা জানান, পুলিশ তার কাজ সঠিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। ভিকটিমদের কয়েক দফা পরীক্ষা করা হয়েছে। বুধবার সর্বশেষ রিপোর্টেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তারকৃত আবু ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলম আজাদীকে জানান, পুলিশের অসহযোগিতার কারণে মামলাটি করতে দীর্ঘ সময় লেগেছে। আবার মামলা হওয়ার পর তাদের তদন্ত কার্যক্রমও প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি পৈশাচিক ও ন্যাক্কারজনক। জনপ্রতিনিধি হয়ে নিজেরই লজ্জাবোধ হচ্ছে। এভাবে তো চলতে পারে না। তাই আমরা এলাকাবাসীকে নিয়ে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আগামী ২৮ ডিসেম্বর আমরা এলাকায় বড় সমাবেশ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এছাড়া ২৭ ডিসেম্বর মহিলা ফোরামের পক্ষ থেকে কর্ণফুলী থানা ঘেরাও ও সমাবেশের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। ডাকাতি শেষে তিন গৃহবধূসহ চার নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় চট্টগ্রামজুড়ে তোলপাড় চলছে। পুলিশ এ পর্যন্ত সন্দেহজনক ৪ জনকে আটক করে। এরা হলো কর্ণফুলী উপজেলার শাহমীরপুর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের ক্বারী ইব্রাহিমের ছেলে মাহমুদ ফারুক (২৮), শাহমীরপুর এলাকার আহমদ মিয়ার ছেলে সুমন প্রকাশ আবু, হারুনের ছেলে রোকন, শিকলবাহা এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে ইসমাইল প্রকাশ কালু। তাদের মধ্যে আবু পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিও দিয়েছে। মাহমুদকে গত সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ বলছে, ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। আবুকে জেলহাজতে প্রেরণের পর অপর আসামি একই এলাকার মাহমুদ ফারুককেও গত বুধবার আগের একটি হত্যা মামলায় জেল হাজতে পাঠানো হয়। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কালু ও রোকনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ডাকাতি ও ধর্ষণের খবর পেয়ে গত বুধবার দুপুরে দুই ভাই দেশে ফিরে এসেছেন। বর্তমানে তাদের পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলম জানান। তিনি বলেন, আমরা তাদের বুঝিয়েছি, যেন এ ঘটনার জন্য তাদের স্ত্রীদের দোষারোপ করে সংসার ভাঙার কোনো সিদ্ধান্ত তারা না নেন। পরে বৃহস্পতিবার রাতে তাদের নিয়ে মন্ত্রী জাভেদ ভাইয়ের বাড়ি গেছি। তাঁর কাছে এরা ওয়াদা করেছেন, সংসার ভাঙার মতো সিদ্ধান্ত নেবেন না। মন্ত্রী সাহেব তাদের বলেছেন, অপরাধীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা হবে। কিছুতেই পার পাবে না তারা। তাদের দাবি, মামলা পুলিশের কাছ থেকে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হোক। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আসামিকে ওই নারীরা সনাক্ত করার পরই পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পুলিশ রিমান্ডের আবেদন না করে নারীদের জনসম্মুখে উত্থাপন করে আসামিদের রক্ষার চেষ্টা করছে।

চেয়ারম্যান দিদারুল আলম বলেন, আমরা ওই নারীদের কাছে ১২০–১৩০ জনের ছবি নিয়ে গেছি। ছবিগুলো থেকে আবু ও মাহমুদের ছবি ঠিকই খুঁজে নিয়েছে ওরা। আবুকে ধরতে পুলিশের কোনো কৃতিত্ব নেই। আমরা স্থানীয়রাই তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, এরপর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় ওই নারীদের। তাদের সামনে সাত–আটজনকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেও আবুকে শনাক্ত করে তারা। এরপরও ওসি কেন যে টিআই প্যারেডের জন্য প্রাণপাত করছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। পুলিশের গাফিলতির অভিযোগ তো উঠবেই।

লেবার এডুকেশন এভায়রনমেন্ট রিহ্যাবলিটি অ্যান্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (লিরো) নির্বাহী পরিচালক ও নারীনেত্রী নুরজাহান খান জানান, ব্যানারে ছবি দেখে এক আসামি সনাক্তের পর তাকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাকে রিমান্ডে আনা, অন্য আসামিদের সনাক্ত করা এবং মালামাল উদ্ধারে পদক্ষেপ নেওয়া পুলিশের প্রথম কাজ। কিন্তু তারা তা না করে টিআই প্যারেডের নামে সময়ক্ষেপণ করছে কি না বা রাজনৈতিক চাপে পুলিশ ডাকাতির স্থলে দস্যুতার মামলার মতো পুরো মামলাটি ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে কি না, আমরা তার ওপর নজর রাখছি। পুলিশের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগের পর এবার মামলার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে আমি ঊর্ধ্বতন প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলব।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দাবি, প্রবাসী তিন ভাইয়ের এই বাড়িটিতে ডাকাতি নয়, ঘরে পুরুষ না থাকার সুযোগে ধর্ষণের উদ্দেশ্যেই প্রবেশ করেছিল এলাকার মাদকসেবী কয়েকজন বখাটে।

ফাতেমা বেগম ভেবে যাচ্ছেন না, কোন পাপের ফলে আল্লাহ তাকে এই শাস্তি দিচ্ছেন। জানতে চাইলে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন। কখনো কাঁদেন, কখনো মাথা নিচু করে কী যেন খোঁজেন। একসময় মুখ তুলে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে কোনোভাবে দেখা করা যায় না? কেন জানতে চাইলে বলেন, মরার আগে আমি এর বিচার দেখে যেতে চাই। আমার মেয়ে আর পুত্রবধূ ধর্ষণকারীদের ফাঁসি চাই। তার মতোই বড়উঠান এলাকার মানুষ ন্যাক্কারজনক এ ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চান। তাদের দাবি, ওরা যেন পার পেয়ে না যায়।

ডাকাতিকালে ৪ ডাকাত কারো নাম ধরে ডাকাডাকি করেনি। তবে সর্দার বলে সম্বোধন করেছে বলে জানান ফাতেমা বেগম। তিনি আরো জানান, রাত ১টার সময় প্রবেশ করা ডাকাতদল ভোর ৪টায় ঘর ছাড়ে।

ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জী, র‌্যাবু–৭ এর একটি টিম, ডিসি পোর্ট হারুনুর রশিদ হাজারী, কর্ণফুলী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, বড়উঠান ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম ও কর্ণফুলী থানার ওসি সৈয়দুল মোস্তফা।

ইউএনও বিজেন ব্যানার্জী জানান, এ ঘটনা খুবই দুঃখজনক। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে প্রশাসন কাজ শুরু করেছে।

গত ১২ ডিসেম্বর রাতে কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের শাহমীরপুর (সাবেক পটিয়া উপজেলা) এলাকায় প্রবাসীর ঘরের গ্রিল কেটে ১১ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৫০ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল ফোন ডাকাতি করে। এসময় ডাকাতদল ৪ নারীকে ধর্ষণ করে।

ওরা তাদের সামনে ভাগবাটোয়ারা করে। এমনকি মালামাল নেওয়ার পর বাসায় কোনো পুরুষ নেই দেখে সকলে মুখোশ উন্মোচন করে চার নারীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষিত নারীদের তিনজন সম্পর্কে জা ও অপরজন তাদের ননদ। তিনি লোহাগড়া থেকে বেড়াতে এসেছিলেন। এদের মধ্যে একজন ৬ মাসের অন্তসত্ত্বা। বাড়ির ৩ সহোদর দুবাই প্রবাসী। মামলার বাদী ছোট ভাই রহমত উল্লাহ পটিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তিনি পটিয়ায় ছিলেন।

রহমত উল্লাহ জানান, আমাদের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। পুলিশের ভূমিকা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি জানান, আমার ভাই ওবায়দুল গাফের, সালেম জান ও মো. তাহের প্রবাসী। আমি নিজেও পড়ালেখার জন্য মাদ্রাসায় থাকি। আশপাশে সবাই আমাদের বিশ্বস্ত। কোনোদিন কল্পনাও করতে পারিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটবে। ক্ষতিগ্রস্তদের ধারণা, ডাকাতিতে অংশ নেওয়া অনেকের বাড়ি ঘটনাস্থলের আশপাশে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এ ঘটনায় জড়িতদের সাথে স্থানীয় প্রভাবশালী কোনো মহলের সম্পর্ক রয়েছে। তাই প্রকৃত আসামিদের আড়াল এবং ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই পুলিশ আসামিদের রক্ষায় নানা ছলচাতুরি করছে। বাড়িটিতে ভিকটিমরা ৫–৬ মাস আগে ওঠে। ৫ বছর পূর্বে বাড়ির বাউন্ডারি ওয়ালটি নির্মাণ করা হয়। ওয়াল নির্মাণের সময় নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে ঘটনার সাথে জড়িত ও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ওই এলাকার আহমদ মিয়ার পুত্র সুমন প্রকাশ আবু কাজ করেছিল। সে স্থানীয় রহিম মিস্ত্রির অধীনে কাজ করত। আবু দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বখাটে ছেলেদের সাথে মিশে নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল ইসলাম বলেন, ১২ ডিসেম্বর রাত প্রায় ১টার দিকে একটি বাঁশ বেয়ে বাড়ির দেয়াল পেরোনোর পর জানালা ও সংযুক্ত গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতদল। তিনি বলেন, ধর্ষিতাদের দাবি, সেদিন রাতে আবু তাদের সামনে বেশি এসেছে এবং মারধর করেছে।

সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সানোয়ারা বেগম জানান, আবু এক সময় প্রবাসীর ওই বাড়িটিতে নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছিল। সে জানত ওই বাসায় কোনো পুরুষ থাকত না।

তিনি বলেন, তারা ঘটনাটি জেনেছেন মূলত দুদিন পর এবং প্রবাসী পরিবারটির বাড়ি আনোয়ারা উপজেলায়। দীর্ঘদিন তারা পটিয়ায় ভাড়া বাসায় ছিলেন। কয়েক মাস আগে তারা বড়উঠান নতুন বাড়িতে ওঠে।

শিমুল মুস্তফা নামে স্থানীয় একজন জানান, আমাদের এলাকায় এত বড় জঘন্য ঘটনা এর আগে কোনোদিন ঘটেনি। ১৬–১৮ বছর আগে আমাদের পার্শ্ববর্তী বাড়িতে একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। সর্বশেষ ৪ বছর পূর্বে আমার প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা দামের ৪টি গাভী চুরির ঘটনা ঘটেছিল।

ঘটনার একদিন পর ধর্ষিতরা কর্ণফুলী থানায় মামলা করতে গেলে ঠিকানা জটিলতার কথা বলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে জানান পরিবারের ছোট ভাই রহমত। তিনি বলেন, আমরা অভিযোগ নিয়ে থানায় যাই। পুলিশকে আমাদের বাড়ির ঠিকানা বলায় তারা ঘটনাস্থল পটিয়া থানার মধ্যে জানায় এবং সেখানে মামলা করতে বলে। পরে আত্মীয়–স্বজন এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলি এবং পুনরায় কর্ণফুলী থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে মামলা করতে যাই। কিন্তু থানায় পুলিশ মামলাটি এন্ট্রি করেনি। শনিবার আমরা আবার থানায় গেলে পরে তারা তদন্তে যাবে বলে আমাদের জানায়। সেখান থেকে বড়উঠান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল আলম আমাদেরকে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর বাসায় নিয়ে যান। তিনি এ ধরনের চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনার মামলা নিয়ে এমন গড়িমসিতে বিস্ময় প্রকাশ করেন। পরে তার হস্তক্ষেপে ৫ দিন পর কর্ণফুলী থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়। তিনি বলেন, মন্ত্রীর ফোনের পর পুলিশের তদন্ত টিম আমাদের বাড়িতে আসে। কিন্তু তার আগে তিন দিন ধরে পুলিশের কাছে ধরনা দিলেও তারা কোনো সহযোগিতা করেনি।

কর্ণফুলী থানার ওসি সৈয়দুল মোস্তফা বলেন, ভিকটিমের পরিবার ঠিকমতো গ্রামের নাম বলতে না পারায় ঘটনাস্থল নিয়ে তারা দ্বিধা–দ্বন্দ্বে ছিলেন। অভিযোগকারীদের পটিয়া থানায় পাঠানো হলে পরবর্তীতে জানা যায় ঘটনাটি কর্ণফুলী থানার অধীনে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা আনোয়ারা থেকে কয়েক মাস আগে বাড়ি তৈরি করে শাহ মীরপুর এসেছেন। অভিযোগ করতে এসে তারা বড়উঠান থেকে এসেছিলেন বলে জানান। সেজন্য তাদের পটিয়া থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পটিয়া থানায় গিয়ে আবার বলেন তারা শাহমীরপুর থেকে এসেছেন। তখন ওই থানার কর্মকর্তারা তাদের আমাদের কাছে পাঠান এবং মামলা নিই।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ওই নারীদের ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে কর্ণফুলী থানা পুলিশ। ডাকাতি ও ধর্ষণের রহস্য উদঘাটনসহ অপরাধীদের ধরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*