Home / খবর / দেশে অশান্তি ডেকে আনব কেন গায়ে পড়ে : কাদের

দেশে অশান্তি ডেকে আনব কেন গায়ে পড়ে : কাদের

ওবায়দুল কাদের দেশে অশান্তি তৈরির আশঙ্কা থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন আওয়ামী লীগ রাজপথে অবস্থান নেবে না বলে আবারও জানিয়ে দিয়েছেন।

ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা এখন ক্ষমতায় আছি। গায়ে পড়ে আমরা কেন দেশে অশান্তি ডেকে আনব?’।

রায়ের দুই দিন আগে মঙ্গলবার বিকালে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলী ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে যৌথসভা করেন কাদের। এরপর সংবাদ সম্মেলনে দলের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রায় ঘোষণা হবে বৃহস্পতিবার। গত ২৫ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই কথার লড়াই শুরু হয় দুই পক্ষে। খালেদার সাজা হলে জনতাকে নিয়ে প্রতিরোধের হুমকি যেমন দিচ্ছে বিএনপি, তেমনি নাশকতা হলে জনতাকে নিয়েই প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এই পরিস্থিতিতে আবারও দেশে ২০১৩ বা ২০১৫ সালের মতো সহিংসতা শুরু হয় কি না, এ নিয়ে উদ্বেগ স্পষ্ট। অবশ্য রায়ের দিন থেকে শুরু করে রাজধানীতে কোনো ধরনের মিছিল-সমাবেশ বা জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘৮ তারিখে আমাদের পক্ষ থেকে কোন প্রকার উস্কানি যেন না দেওয়া হয় সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রায়ের আগে ও পরে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় আজ থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের জনগণের জানমাল নিরাপত্তায় স্বার্থে প্রয়োজনে আমরা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করব। তারা (বিএনপি) যদি উস্কানি দেয়, হাইকোর্টের সামনে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালানোর মত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাহলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের সহযোগিতা করবে।’

কাদের বলেন, ‘এই মামলার রায় কী হবে তার সঙ্গে সরকারের কোন সম্পৃক্ততা নেই। আদালত স্বাধীনভাবে মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

‘বেগম জিয়া আমাদের শত্রু নয়। বিএনপিও আমাদের শত্রু নয়। কিন্তু বিএনপি আমাদের শত্রু ভাবে। তা না হলে ১৫ আগস্ট (২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা) খুনিদের মদদ দিত না। এই ধরনের হামলা করত না। বার বার আমাদের সঙ্গে শত্রুতা করেছে। বিএনপি শত্রুতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি করে।’

আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ, দীপু মনি, এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, হাছান মাহমুদ, ফরিদুন্নাহার লাইলী, সুজিত রায় নন্দী, আবদুস সোবাহান, দেলোয়ার হোসেন, আবদুস সবুর, রোকেয়া সুলতানা, উপ-দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*