Home / আর্ন্তজাতিক / নানা আয়োজন আন্তর্জাতিক নারী দিবসে

নানা আয়োজন আন্তর্জাতিক নারী দিবসে

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস । ‘সময় এখন নারীর : উন্নয়নে তাঁরা বদলে যাচ্ছে গ্রাম-শহরে কর্ম জীবনধারা’ শীর্ষক শিরোনামে বাংলাদেশসহ বিশ্বে উদযাপিত হচ্ছে দিবসটি। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে নারীর অধিকার রক্ষা, নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর প্রতি ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠাই এবারের নারী দিবসের মূল লক্ষ্য। দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে রোড মডেল হিসেবে স্বীকৃত। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীর অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
নারীর প্রতি যৌন হয়রানি বন্ধ করাসহ একই কাজে নিয়োজিত নারীদের পুরুষের সমান বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দেয়া ও রাজনীতিতে নারী প্রতিনিধি বাড়ানোর দাবিতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ দপ্তরের সামনে কর্মসূচি পালন হবে আজ।

নির্যাতিত নারীরা ‘মি টু’ লেখা ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে সমবেত হবেন সেখানে। এ ছাড়া বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক চতুর্থাংশই হলো গ্রাম ও পল্লী এলাকায় বসবাস করা নারী, যারা বিভিন্ন উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। গ্রামীণ নারীর অধিকার রক্ষা ও তাদের কার্যক্রমও তুলে ধরা হবে। দিবসটি উপলক্ষে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসও বাণী দিয়েছেন।
দিবসটি উপলক্ষে সরকারিভাবে নানা কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। গত রাত ১২ টা ১ মিনিটে  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপনের সূচনা হয়। ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো সারাদেশে সমাবেশ, শোভাযাত্রা, সেমিনার, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের অডিটোরিয়ামে বিকেলে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ১৯১৭ সালের ৮ মার্চ নারী শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এ দিবসটি প্রথম সামনে আসে। পরে বিভিন্ন সমাজতান্ত্রিক দেশে ‘আন্তর্জাতিক নারী শ্রমিক দিবস’ হিসেবে দিবসটি পালিত হতে শুরু করে। ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar