Home / বিনোদন / শেখ হাসিনা কখনো কখনো শুধুই শিশু-কিশোরদের প্রিয় ‘দাদি-নানি’ হয়ে উঠেন

শেখ হাসিনা কখনো কখনো শুধুই শিশু-কিশোরদের প্রিয় ‘দাদি-নানি’ হয়ে উঠেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনো কখনো শুধুই শিশু-কিশোরদের প্রিয় ‘দাদি-নানি’ হয়ে উঠেন বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম মানুষ। শত ব্যস্ততার মধ্যেও এমনই কিছু দাদি-সুলভ মিষ্টি মুহূর্ত কাটিয়েছেন বৃহস্পতিবার নিজ বাসভবন গণভবনে।

নিজ পরিবারের নাতি-নাতিনরাই শুধু নয়, নাগালে আসা সব বাচ্চাই শেখ হাসিনার কাছ থেকে নাতি-নাতনির আদর পান। এমনই একটি ভিডিও ফেসবুকে দেখা গেছে বৃহস্পতিবার। ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ফুটফুটে মেয়েবাবুর হাত ধরে সাদা জমিন আর নীল পাড়ের শাড়ি পড়া শেখ হাসিনা গণভবনের লনে হাসিমুখে হাঁটছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইশা চৌধুরী (৩.৫ বছর) নামের ফুটফুটে মেয়েটি তাঁর দাদা, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরী এবং বাবা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য শারুন চৌধুরীর সাথে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য বৃহস্পতিবার বিকেলে গণভবন যায়।

শেখ হাসিনাকে কাছে পেয়ে শিশু সাইশা গণভবনের লনে যাওয়ার বায়না ধরে বলে জানান বাবা শারুন চৌধুরী। শেখ হাসিনার হাত ধরে তাঁকে লনের দিকে নিয়ে যায় সাইশা।

লনে যাওয়া শেখ হাসিনার শিডিউলে ছিল না বলে জানা গেছে। লনে যাওয়ার গেইট তালা মারা ছিল। সাইশার বায়না ফেলতে পারেন নি ‘দাদি’ শেখ হাসিনা। তাৎক্ষণিকভাবে শেখ হাসিনার নির্দেশে লনের তালা খোলা হয়।

সবুজ লনে সাইশা হাঁটা অবস্থায় শেখ হাসিনাকে ‘জয় বাংলা বলে আগে বাড়’-গানটি গেয়ে শোনায় বলে জানায় তাঁর বাবা। একটি ছবিতে দেখা গেছে, লনের একটি অংশে কাঁচামাটি থাকায়, সাইশার দুই হাত ধরে উঁচু করে তাকে সেই জায়গা পার করে সবুজ ঘাসের উপর আনেন শেখ হাসিনা।

মজলুম রোহিঙ্গাদের প্রতি বিরল মানবতা প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম কর্তৃক ‘মানবতার জননী’ উপাধি  পাওয়া শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিস্ময়কর মুহূর্ত সাম্প্রতিক কালে ফেসবুকের কল্যাণে বিশ্ববাসী দেখতে পেয়েছে।

ফেসবুকের নানা ছবিতে সাম্প্রতিক কালে দেখা গেছে, শেখ হাসিনা কখনো ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্য পোলাও রান্না করছেন, কখনো দেখা গেছে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে সম্মেলন শেষ করে ছোট বোন শেখ রেহানার মাথায় বরফকুচি ঢেলে দিয়ে বড় বোন সুলভ দুষ্টুমি করছেন। এছাড়া গ্রামের বাড়ি টুঙ্গিপাড়ায় বেড়াতে গিয়ে রিকশাভ্যানে করে পাড়া বেড়ানোর দৃশ্য দেখেও মানুষ মুগ্ধ হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Skip to toolbar