Home / খবর / আইসিইউতে করোনা আক্রান্ত প্রতিরক্ষা সচিব

আইসিইউতে করোনা আক্রান্ত প্রতিরক্ষা সচিব

শনিবার দুপুরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরীকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে।প্রশাসনে তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন আছেন। এর আগে বুধবার বিকেলে ঢাকা টাইমসের সঙ্গে আলাপে সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী বলেন, ‘এখনো শরীর পুরোপুরি ঠিক হয়নি। দুর্বলতা আছে। হাসপাতালেই আছি।’

গত মে মাসের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। পরে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করলে তার শরীরে ভাইরাসটির সংক্রমণ শনাক্ত হয়। শুরুতে বাসাতেই ছিলেন। পরে করোনা শনাক্তের পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

প্রসঙ্গত, তিনি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক মুখ্যসচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরীর ছোট ভাই।

এ বছরের ৮ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে নিয়োগ পান বিসিএস (প্রশাসন) ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। এর আগে তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন।

এছাড়া তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিষয়ে বিএসসি (সম্মান) এবং ১৯৮৩ সালে এমএসসিতে উত্তীর্ণ হন।

পরে তিনি ঢাকার নর্দার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নেন্স স্টাডিজে এম এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, আর্থিক অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য উন্নয়ন, ক্রয় ও সরবরাহ ইত্যাদি বিষয়ে দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নেন।

তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৬৩ সালে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়ানো কোভিড-১৯ ভাইরাসটি বাংলাদেশে প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজনের শরীরে করোনা শনাক্তের কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে।

রবিবার পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪৭ হাজার ১৫৩ জন। নানা সময় ধরন বদলকারী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬৫০ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ হাজার ৭৮১ জন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: