ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ঢাবির এক তরুণীকে অপহরণ, ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাকে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সরকারি ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন ।

তিনি বলেন, মূলত আমাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এবং বর্তমান সময়ে আমাদের রাজনৈতিক যে উত্থান এটাকে নষ্ট করার জন্য সরকারি দল মামলা করাচ্ছে। ওই মেয়েকে টাকা দিয়ে মামলা করানো হচ্ছে। তাকে যেভাবে বলছে সেভাবে সে কাজ করছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা টাইমসের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে ভিপি নুর এসব কথা বলেন।

নুর বলেন, আমরা যেটা জানতে পারলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখার সভাপতি সঞ্জিত দাসের বাড়ি ময়মনসিংহে, মেয়েটির বাড়িও ময়মনসিংহে। তারা পেট্রোনাইজ (মদদ) করে এগুলো করাচ্ছে।

তিনি বলেন, ওই মেয়েকে দিয়ে কলকাঠি নাড়ানো হচ্ছে। সে এর আগে লালবাগ থানায় অভিযোগ দিলো। আবার একই তরুণী কোতোয়ালি থানায় নতুন করে ডিজিটাল আইন ও ধর্ষণে সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে মামলা করল।

নুর বলেন, আমরা গতকালকেও বলেছি এসব ভিত্তিহীন মিথ্যা মামলা নিয়ে আমরা বিচলিত নই। এগুলো নিয়ে আমরা ভাবিও না। গতকাল মামলা হওয়ার পর বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ করেছি। পুলিশ আমাদেরকে আটক করেছিল। কিন্তু তারা আমাদের আটক করে রাখতে পারেনি। কারণ তারা জানে যে, সত্য ও ন্যায়ের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করছি তাই আমাদেরকে আটক রাখলে তার পরিণতি ভালো হবে না৷ এ কারণে তারা ছেড়ে দিয়েছে। আমাদেরকে সাময়িক বিব্রত ও হয়রানি করার জন্য এই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি মামলা গতকাল একই ব্যক্তি করেছিল আবার সেই ব্যক্তিই আবার নতুন করে মামলা কেন করলো? এর কারণ হলো- গতকাল যে অভিযোগটি দিয়েছিল সেটি হালকা অভিযোগ ছিল। সে কারণে তাকে দিয়ে আবার পাকাপোক্ত অভিযোগ করিয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন গতকালের ওই তরুণী। মামলায় নুরসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- নাজমুল হাসান সোহাগ, হাসান আল মামুন, নুরুল হক নুর, মো. সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হুদা, আবদুল্লাহ হিল বাকি। এর মধ্যে মূল অভিযুক্ত নাজমুল হাসান।

গতকাল মামলার বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে আসেন নুর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে এর প্রতিবাদ করেন। পরে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়, পরে কয়েক ঘণ্টা পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Share Now
January 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031