খুব ভালোভাবেই আছে বিএনপি আছে: ফখরুল

90

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথায় সবাই বিনোদিত হন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর । গতকাল জাতী য় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব?্য করেন। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণের জন?্য এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। মির্জা ফখরুল বলেন, প্রতিনিয়ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কথা বলেন। তার কথায় আমরা সবাই একটু বিনোদন পাই, কৌতুক বোধ করি। তার কথা বলার ভঙ্গি খুব সুন্দর। তার (ওবায়দুল কাদের) বসে থাকার ভঙ্গি খুব সুন্দর। তিনি যে আসনে বসে কথা বলেন, সেটাও খুব সুন্দর।

তিনি দেখতে অত্যন্ত সুদর্শন মানুষ। চমৎকার কটি পরেন, তার ওপর নৌকা মার্কার পিন পরেন। পত্রপত্রিকায় বের হয়েছে, তার ঘড়িগুলো নাকি একেকটি ৩৬ লাখ, ৫২ লাখ, ১ কোটি টাকা দামের। আসলে দাম কত- আমরা সেটা জানি না।

ওবায়দুল কাদের বিএনপির আন্দোলন সম্পর্কে কটাক্ষ করেছেন, অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রত্যেক দিন বিএনপিকে নিয়েই কথা বলেন তিনি। অন্যদিকে বলেন, বিএনপি নাই। তাহলে প্রতিদিন বিএনপি সম্পর্কে কথা বলেন কেন? কারণ, আপনারা জানেন, বিএনপি আছে, খুব ভালো করেই আছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনাদের (আওয়ামী লীগ) তো লজ্জা হওয়া উচিত। বিশেষ করে, সাধারণ সম্পাদক সাহেবের। আপনার এলাকা বসুরহাট, আপনার এলাকা নোয়াখালী, সেখানে কী হচ্ছে? আজকে পত্রিকায় আসছে, সেখানে একজন সাংবাদিকসহ যে দু’জন খুন হয়েছেন, তাদের মধ্যে মৃত শ্রমিকের ভাই মামলা করেত গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তার মামলা নেয়নি। কাদের মির্জার বিপক্ষে মামলা নেয়নি। কারণ তিনি তো শুধু কাদের মির্জা নন, তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর মানুষ ওবায়দুল কাদের সাহেবের ভাই। কোথায় বিচার, কোথায় ন্যায়ের শাসন? তাই আমি বলেছি, বিএনপির সমালোচনা করার আগে নিজের ঘর সামলান। প্রতিদিন যে মারামারি-লড়ালড়ি তা সামলান।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. ফারহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে ও ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অনুষ্ঠান হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুস সালাম প্রমুখ।