ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

76

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসবে যোগ দিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ সকাল ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়।  তাকে স্বাগত জানানো হয় ২১ বার তোপধ্বনি দিয়ে। এরপর ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে শেখ হাসিনা অভ্যর্থনা মঞ্চে পৌঁছালে তিন বাহিনীর সুসজ্জিত একটি দল গার্ড অব অনার দেয়। গার্ড পরিদর্শন শেষে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে লাইন অব প্রেজেন্টেশনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমেদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস এবং তিন বাহিনীর প্রধান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রতিবেশী দেশের এই সরকারপ্রধানের আগমন উপলক্ষে বিমানবন্দর এলাকা বর্ণিল সাজে সাজানো হয়।

টার্মিনালের উপরে এবং সামনে ছিল বাংলাদেশ ও ভুটানের পতাকার সজ্জা। ভিভিআইপি টার্মিনালের দুই পাশে দুই সরকার প্রধানের ছবিও স্থাপন করা হয়। বিমানবন্দর থেকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন, সেখানে তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করার পাশপাশি পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন তিনি।
এরপর ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানম-ির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মতি যাদুঘর পরিদর্শন করে সেখানে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বিকেলে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

সন্ধ্যায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন লোটে শেরিং। সেখানে তিনি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করবেন। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একান্ত বৈঠক হবে। পরে তাদের নেতৃত্বে হবে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক।