তিন বিজ্ঞানী পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন

75

পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন ফ্রান্সের অ্যালেন অ্যাসপেক্ট, আমেরিকার জন এফ ক্লজার এবং অস্ট্রিয়ার অ্যান্টন জিলিঙ্গার হ্যাকারদের নাগাল থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত টেলিযোগাযোগের পথ দেখিয়ে । গতকাল মঙ্গলবার পদার্থবিদ্যায় নোবেলজয়ী হিসাবে এই তিন জনের নাম ঘোষণা করেছ রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি। বেল ইনেকুয়ালিটির পরীক্ষায় পাওয়া প্রমাণ ও কোয়ান্টাম অ্যান্টেঙ্গেলমেন্ট গবেষণায় তাৎপর্যপূর্ণ অবদানের জন্য ২০২২ সালে পদার্থবিজ্ঞানে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। দুটি কোয়ান্টাম কণা আলাদা থাকলেও একক কণা হিসেবে একইরকম আচরণ করে। নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তারা কার্যত যুগান্তকারী গবেষণা করে তা প্রতিষ্ঠা করেছেন বলে জানিয়েছে নোবেল কমিটি।
গত কয়েক দশক ধরে, মূলত যখন থেকে মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তির সূত্রপাত, তখন থেকেই সাধারণ মানুষের জীবনে হ্যাকার-সমস্যারও শুরু। মোবাইলে ওটিপির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্ক-তথ্য বেহাত হওয়া, ফোনে আড়ি পাতাসহ একাধিক সমস্যা ঢুকে পড়তে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনে। এছাড়া প্রতিরক্ষা বিভাগের জরুরি এবং গোপন তথ্য বেহাত হওয়ার ঝুঁকিও আরও বাড়ে। প্রভাবশালীদের গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তায় আড়ি পাতার ঘটনাও ঘটতে দেখা গিয়েছে সম্প্রতি পেগাসাস কেলেঙ্কারিতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নোবেলজয়ী তিন বিজ্ঞানীর গবেষণা টেলিযোগাযোগ এই ব্যবস্থাকে হ্যাকারদের নাগালের সম্পূর্ণ বাইরে রাখার বিষয়ে পথ দেখাতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সেক্ষেত্রে যোগাযোগ করতে হবে উপগ্রহ মারফৎ। বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন কোয়ান্টাম ফোনের সাহায্যে। তিন বিজ্ঞানীর গবেষণা পদার্থ বিদ্যার মৌলিক কিছু বিষয় নিয়েও বদলে দিয়েছে ধারণা। বহু বছর আগে আইনস্টাইনের গবেষণায় এ ব্যাপারে সামান্য ইঙ্গিত ছিল। তিন বিজ্ঞানীর গবেষণা সেই বিষয়টিই গবেষণা এবং পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। যা বিজ্ঞানের দুনিয়াতেও একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ পাওয়া।