Home / আর্ন্তজাতিক / নববর্ষ বৃটেনে ঘরবন্দি মানুষের

নববর্ষ বৃটেনে ঘরবন্দি মানুষের

নববর্ষ উৎসবসহ ছোট খাটো সকল জমায়েত করোনা ভাইরাসের কারণে বৃটেনে এবার বাতিল করা হয়েছে । ঘরের ছাদে এবং দরজার পাশে দাড়িয়ে আতশবাজির মাধ্যমে দেশটির মানুষ ২০২০ কে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর ২০২১ কে বরণ করেছে। প্রতি বছর নববর্ষ উৎসবের জন্য ৩১ ডিসেম্বর রাতে টেমস নদীর তীরে লন্ডন আই`র আতশবাজি দেখতে জড়ো হতেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। কিন্ত এবার লন্ডনসহ বিভিন্ন শহরে টিয়ার-৪ বিধিনিষেধ জারি থাকায় ঘর বন্দি অবস্থায় মানুষকে নববর্ষ উদযাপন করতে হয়েছে। নববর্ষ পালন করতে গিয়ে কোন জমায়েত যাতে না ঘটে সে জন্য দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সতর্ক ছিলো। ক্রিসমাসের মতো দেশের মানুষ আমেজহীন নববর্ষ পালন করলো।

যে ভাবে জানুয়ারীর ১ তারিখ বর্ষবরণ।
আগে ২৬ মার্চ পালন করা হতো নববর্ষ। পরে সম্রাট নুমা পল্টিলাস যখন জানুয়ারী আর ফেব্রয়ারীকে ক্যালেন্ডারে স্থান দেন তখন তিনি ঠিক করে দেন জানুয়ারীর ১ তারিখ হবে বছরের প্রথম দিন। এর পর থেকে জানুয়ারীর প্রথম দিন বর্ষবরণ পালিত হয়।

রোমানরা তা না মেনে আগের মতো ২৬ মার্চ পালন করা শুরু করে। পরে জুলিয়াস সিজার যখন ৩৬৫ দিনে বছর ঘোষনা দেন তখন থেকে আবার মার্চের পরিবর্তে তিনি ১ জানুয়ারী থেকে বছর শুরুর ঘোষনা দেন। তার ক্যালেন্ডারে কিছু সমস্যা হওয়ায় গ্রেগরিয়ান তা সংস্কার করেন। ১৭৫৬ সালে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার প্রচলিত হয় বৃটেনে। এর পর থেকে প্রতি বছর আতশবাজির ঝলকানি আর আলোক উৎসবের মধ্যে দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: