Home / খেলা / পাঞ্জাবের জয় শেষ বলে পুরানের ছক্কায়
Nicholas Pooran of Kings XI Punjab celebrates win during match 31 of season 13 of the Dream 11 Indian Premier League (IPL) between the Royal Challengers Bangalore and the Kings XI Punjab held at the Sharjah Cricket Stadium, Sharjah in the United Arab Emirates on the 15th October 2020. Photo by: Deepak Malik / Sportzpics for BCCI

পাঞ্জাবের জয় শেষ বলে পুরানের ছক্কায়

কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব নাটকীয়ভাবে শেষ বলে জিতল। আইপিএলে বৃহস্পতিবার শারজায় যুজবেন্দ্র চাহালকে ছয় মেরে জয় ছিনিয়ে এনেছেন নিকোলাস পুরান। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে তারা। ১৭২ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করে দুই উইকেটে ১৭৭ করে পাঞ্জাব। এবারের আইপিএলে এটা লোকেশ রাহুলের দলের দ্বিতীয় জয়।

এই জয়ে বড় অবদান ক্রিস গেইলের। এদিনই প্রথম আইপিএলে ব্যাট করতে নেমে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। ৪৫ বলে ৫৩ করে রান আউট হন। অধিনায়ক রাহুল ৪৯ বলে অপরাজিত থাকেন ৬১ রানে। তবে যত সহজে জেতার কথা ছিল, তত সহজে জয় আসেনি।

শেষ ওভারে পাঞ্জাবের দরকার ছিল ২ রান। কিন্তু চাহালের প্রথম চার বলে এসেছিল মাত্র ১ রান। পঞ্চম বলে রান আউট হন গেইল। প্রচণ্ড উত্তেজনা তখন গ্রাস করেছিল দুই দলকেই। শেষ বলে রান না এলে ম্যাচ গড়াত সুপার ওভারে। কিন্তু পুরান এগিয়ে এসে ফুলটস করে নেন চাহালের ডেলিভারি। তাঁর শট লং অনে থাকা ক্রিস মরিসের বাড়ানো হাতের নাগাল পেরিয়ে ছয় হয়। জিতে যায় পাঞ্জাব।

টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কোহলি। পঞ্চম ওভারে অর্শদীপ সিংয়ের বলে ফিরেছিলেন দেবদত্ত পাড়িকল (১২ বলে ১৮)। ৩৮ রানে পড়েছিল প্রথম উইকেট। দ্বিতীয় উইকেট পড়েছিল ৬২ রানে। অ্যারোন ফিঞ্চ (১৮ বলে ২০) বোল্ড হয়েছিলেন মুরুগান অশ্বিনের দুরন্ত ডেলিভারিতে। তৃতীয় উইকেটের পতন হয়েছিল ৮৬ রানে। চারে নামা ওয়াশিংটন সুন্দর (১৪ বলে ১৩) মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলেছিলেন সেই মুরুগানের বলেই।

অন্য প্রান্তে বিরাট অবশ্য ছিলেন ছন্দে। আরসিবির হয়ে ২০০তম ম্যাচে ক্রিজে এসেই মেরেছিলেন কাভার ড্রাইভ। ফর্মে আছেন, বোঝা যাচ্ছিল প্রত্যেক শটে। কিন্তু, অন্যদিকে ক্রমাগত পড়তে থাকে উইকেট। শিবম দুবে (১৯ বলে ২৩), এবি ডিভিলিয়ার্স (৫ বলে ২) ফিরেছিলেন পরপর। তার পরই হাফ সেঞ্চুরির দোরগোড়া থেকে ফিরতে হয়েছিল বিরাটকে। ৩৯ বলে ৪৮ করেছিলেন তিনি। ১৩৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারিয়েছিল আরসিবি। একই ওভারে এবি ও বিরাটকে ফিরিয়ে ব্যাঙ্গালোরকে জোড়া ধাক্কা দিয়েছিলেন মোহাম্মদ শামি। তারপর আর কোনো উইকেট হারায়নি ব্যাঙ্গালোর। এদিন ম্যাচসেরা হন পাঞ্জাব অধিনায়ক লোকেশ রাহুল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: