প্রস্তাবিত পদ্মা ব্যারাজ বাংলাদেশের পলি, পানি ও পরিবেশগত সংকট সমাধানের পরিবর্তে আরও গভীর করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার ভূতত্ত্ব ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও পানি বিশেষজ্ঞ ড. মো. খালেকুজ্জামান। দ্য ডেইলি স্টারের সাংবাদিক খায়রুল হাসান জাহিনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি পদ্মা ব্যারাজের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

দ্য ডেইলি স্টার: প্রস্তাবিত ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্পটিকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

মো. খালেকুজ্জামান: মূল প্রশ্নে আসার আগে, প্রস্তাবিত এই প্রকল্পটির নাম প্রসঙ্গে আমার কিছু বলা প্রয়োজন। প্রকল্পটির মূল নাম ছিল ‘গঙ্গা ব্যারাজ’ এবং সেটিই বেশি উপযুক্ত। কারণ, বাংলাদেশে প্রবেশের পর দৌলতদিয়া পর্যন্ত নদীটি ‘গঙ্গা’ নামেই পরিচিত। এটিকে ‘পদ্মা ব্যারাজ’ বলা হলে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে, গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যার বিষয়টি আমরা উপেক্ষা করছি।

বঙ্গীয় ব-দ্বীপ বা বেঙ্গল ডেল্টা হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম একটি ব-দ্বীপ। নদীবাহিত পলি জমার মাধ্যমে ব-দ্বীপ গঠিত হয়। একটি ব-দ্বীপের টিকে থাকা, এর ভূখণ্ড ধরে রাখা এবং সমুদ্রের দিকে বিস্তৃত হতে থাকায় উপকূলীয় এলাকায় পলি জমা হওয়া অত্যন্ত জরুরি। পলি জমা কমে গেলে বদ্বীপ আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, বিশেষত যখন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমাগত বাড়ছে। সেই বিবেচনায় পলি সঞ্চয়ের কোনো বিকল্প নেই।

Share Now
June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930