Home / চট্টগ্রাম / বিআরটিএ’র মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাক্সির স্ক্র্যাপকরণ কাজ শুরু

বিআরটিএ’র মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাক্সির স্ক্র্যাপকরণ কাজ শুরু

মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রায় চার হাজার সিএনজি চালিত সিএনজি ট্যাক্সি স্ক্র্যাপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট  অথরিটি (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিস।

সোমবার সকাল দশটা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী চারদিন স্ক্র্যাপ করার কাজে অব্যাহত থাকবে। বিআরটিএ চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের উপ পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ২০০৪ সালের ১১ ও ১২ সিরিয়ালের তিন হাজার ৯৪৪টি সিএনজি, পেট্রোলচালিত ফোর স্ট্রোক ও থ্রি হুইলার স্ক্র্যাপ করার কাজ সোমবার বিআরটিএ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়।

 

প্রথমদিন ৫৫১, দ্বিতীয় দিন ১১২৯, তৃতীয় দিন ১১৩৬ ও চতুর্থ দিন ১১২৮টি ট্যাক্সি স্ক্র্যাপ করা হবে। বিআরটিএ সূত্রে জানা যায়, স্ক্র্যাপ কার্যক্রমের সকল যন্ত্রপাতি ও জনবল সরবরাহ করে বিআরটিএ। স্ক্র্যাপ করা ট্যাক্সিগুলো বিআরটিএ এলাকা থেকে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিক নিজ দায়িত্বে নিয়ে যাবেন।

স্ক্র্যাপ করাকালে সিএনজি ট্যাক্সির রেজিস্ট্রেশন, সার্টিফিকেট, হালনাগাদ  ট্যাক্স টোকেন, ফিটনেসসহ প্রয়োজনীয় কাগজত্রের ফটোকপি, গাড়ি মালিকের জাতীয় পরিচয় পত্র তিনশ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে নির্দিষ্ট নিয়মে জমা দিতে হয়।

স্ক্র্যাপ হওয়া গাড়ির মালিকরা নতুন গাড়ির রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকারি ফি জমা দিতে হবে। বিআরটিএ  উপ পরিচালক বলেন, স্ক্র্যাপ করার আগে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিক নিয়ম মেনে কাগজপত্র জমা দিলে তাদের একটি রশিদ দেওয়া হয়।

স্ক্র্যাপ হওয়ার সাথে সাথে ওই ট্যাক্সির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার সার্ভার থেকে মুছে ফেলা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিক নতুন গাড়ি নিলে তাকে নতুন সিরিয়ালের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেয়া হবে। কিন্তু নতুন গাড়ি অবশ্যই ভাড়ায় চালিত হতে হবে।

পরবর্তী পাঁচ বছর এসব গাড়ি কারো কাছে হস্তান্তর করা যাবে না। সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সাল থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে ১৩ হাজার করে ২৬ হাজার সিএনজি টেক্সি নিবন্ধন দেয় বিআরটিএ। এসব গাড়ির মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় ১৫ বছর করে।

যে কারণে পরিবেশগত ক্ষতির প্রভাবমুক্ত হতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইতোমধ্যে ঢাকায় নিবন্ধিত ১৩ হাজার সিএনজি   ট্যাক্সি  ইতোমধ্যে স্ক্র্যাপ করে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে ২০০১, ২০০২ ও ২০০৩ মডেলে প্রস্তুতকৃত এমন সাড়ে পাঁচ হাজার ট্যাক্সি  ২০১৮ ও ২০১৯ সালে প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়। করোনার কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ অবশিষ্ট ট্যাক্সির স্ক্র্যাপকরণ প্রায় ১০ মাস বন্ধ ছিল। আজ (সোমবার) থেকে পুনরায় স্ক্র্যাপকরণের কাজ শুরু করছে চট্টগ্রাম বিআরটিএ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: