বিচ্ছেদের নোটিশ পাঠানোয় শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যা কর্মহীন জামাই

44

বেকার জামাই । এ কারণে বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে মেয়েকে প্রায়ই নির্যাতন করতো। শেষমেষ নির্যাতন সইতে না পেরে ১০ দিন আগে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসেন বাবা। পরে জামাইয়ের বাড়িতে তালাকনামা পাঠিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্বশুর আজগার আলীকে (৫৫) কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে জামাই সালাহউদ্দিনের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার মাটি কুমড়া গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

নিহতের ছোট ভাই মাটিকুমড়া গ্রামের আক্তার হোসেন সরদার জানান, বড় ভাই আজগার আলীর ছোট মেয়ে শিল্পী খাতুনের সঙ্গে কালিগঞ্জ উপজেলার বরেয়া গ্রামের সালাহউদ্দিনের দু’ বছর আগে বিয়ে হয়। সে বেকার হওয়ায় বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে শিল্পীকে প্রায়ই নির্যাতন করতো। নির্যাতন সইতে না পেরে ১০ দিন আগে শিল্পীকে বাড়িতে নিয়ে এসে তালাকনামা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সালাহউদ্দিন।

এর জেরে গতকাল মঙ্গলবার রাত একটার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় মশারির ওপর দিয়ে আজগার আলীকে রাম দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে মৃত ভেবে চলে যায় সালাহউদ্দিন। পরে ভাইয়ের চিৎকারে তিনিসহ স্থানীয়রা ছুঁটে এসে আজগার আলীকে রাত সোয়া দুইটার দিকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে ভর্তি না নেওয়ায় আজ বুধবার ভোর সোয়া চারটার দিকে তাকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলাকালীন ভোর ৫টার দিকে ভাই মারা যান, বলেন আক্তার হোসেন সরদার।

এ ঘটনার তদন্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান।