Home / আর্ন্তজাতিক / বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদের চীনে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিদের চীনে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১০ সদস্যের বৈজ্ঞানিক দলের করোনার উত্‍‌স সন্ধানে   চীনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চীনের তরফে প্রয়োজনীয় অনুমতি না মেলায় শেষ মুহূর্তে সেই সফর বাতিল হয়ে যায়। চীনের এই ভূমিকায় হতাশ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি দলের সদস্য, আন্তর্জাতিক করোনাভাইরাস বিশেষজ্ঞদের ঢোকার অনুমতি দেয়নি চীন। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান চীনের ভূমিকায় হতাশা ব্যক্ত করে জানান, অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে বেইজিং। ফলে, একদম শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল করতে হয়। খবর সিএনএনের

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি দলের দুই বিশেষজ্ঞ ইতিমধ্যেই চীনে রওনা দিয়েছেন। বেইজিং সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রাখলে ওই দুজনকেও ফিরে যেতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক দলের সদস্যরা তাদের দেশ থেকে চীনে রওনা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা জানতে পারলাম, এজন্য যে অনুমতি দরকার, চীনা কর্মকর্তারা তা দেননি।

টেড্রোসের বক্তব্য, চীনা সরকারের সঙ্গে কথা বলেই সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছিল। এই সফরের প্রস্তুতি যৌথভাবেই নেয়া হয়েছিল। এরপরও সফর অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তিনি হতাশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে এই মিশন কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা জানিয়ে তিনি বলেন, অনুমতি আদায়ে আমরা চীনা কমকর্তাদের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাচ্ছি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নোভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের কথা জানা যায়।

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, চীন থেকে গোটা বিশ্বে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প তো কোভিড-১৯ কে চীনা ভাইরাস হিসেবেই উল্লেখ করেছেন।

যদিও, চীন তা মানতে চায়নি। আমেরিকার দাবি নস্যাত্‍‌ করে বেইজিংয়ের দাবি, করোনার উত্‍‌স নির্দিষ্ট কোনো একটা জায়গা নয়। একাধিক উত্‍‌স থেকে কোভিড-১৯ ভাইরাস ছড়িয়েছে।

করোনা নিয়ে এই চাপানউতোরের মধ্যেই গত বছর মে মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিদ্ধান্ত নেয় তারা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে এই ভাইরাসের উত্‍‌স সন্ধান করবে। চীনসহ বিশ্বের একাধিক দেশে যাবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা। সেই মতো বিভিন্ন দেশের ১০ জন বিজ্ঞানীকে নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করে এই সংস্থা। সেই প্রতিনিধি দলেরই চীনে যাওয়ার কথা ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: