বৈষম্য ও দুঃশাসনের পুঁজিবাদ :বাজেট

32

প্রতিবছর তার নিজস্ব আয়-ব্যয়ের হিসাব সংবলিত একটি বাজেট জনসমক্ষে প্রকাশ করে বাংলাদেশে সরকার । এ বাজেটটির দুটি অংশ থাকে। রাজস্ব বাজেট ও উন্নয়ন বাজেট। রাজস্ব বাজেটে সরকারের আয় সংগ্রহের বিবরণ থাকে। উন্নয়ন বাজেটে ব্যয়বিন্যাসের চিত্র তুলে ধরা হয়। তাই বাজেটে সরকারের শ্রেণিগত পক্ষপাতিত্বের প্রতিফলন ঘটে।

সংসদে সংসদ সদস্যরা বাজেট নিয়ে আলোচনা করেন। সংসদের বাইরেও বাজেট নিয়ে আলোচনা হয়। সংসদে সংসদ সদস্যরা বাজেট অনুমোদন করলে ওই অনুযায়ী সরকার আয়-ব্যয় করার জন্য সংসদে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে অগ্রসর হয়। কিন্তু সরকার প্রতিবছরই একটি সংশোধিত বাজেট প্রস্তাব পেশ করে।

এতে দেখা গেছে, আয় প্রস্তাব যা করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় এর একটি সংশোধিত প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। ব্যয়ের ক্ষেত্রেও অনুরূপ সংশোধিত প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। সংধোধিত প্রস্তাবটিও একটি অনুমিত হিসাব মাত্র। কারণ জুনে যখন বাজেট পেশ করা হয়, তখন পর্যন্ত মাত্র ৯ মাসের তথ্য সরকার হাতে পায়। তবুও এই বাজেট বক্তৃতা কয়েকটি কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই প্রণীত হয়।

বহমান প্রকল্পগুলোর বাধ্যবাধকতা ছাড়াও আর যেসব মৌলিক সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেগুলো সংক্ষেপে নিম্নরূপ-

ক. ১৯৭৫ সাল-পরবর্তী থেকে যেসব সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, তাদের সবাই পুঁজিবাদী অর্থনীতির আদর্শ অনুসরণ করেছে। এর ‘ফ্যাশনেবল’ নাম হচ্ছে ‘মুক্তবাজার অথনীতি’।

খ. তথাকথিত ‘মুক্তবাজার অর্থনীতি’ আসলে বর্তমান পর্যায়ে এসে আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোয় নয়া উদারনীতিবাদের দর্শনে পরিণত হয়েছে। ফলে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সদ্য স্বাধীন দেশগুলোয় যে ‘মিশ্র অর্থনীতির ধারা চালু হয়েছিল এবং বিভিন্ন দেপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী ‘ইন্টারমিডিয়েট রেজিম’-এর উদ্ভব হয়েছিল, তা এখন দুর্লভ হয়ে গেছে।

বিশেষত সমাজতান্ত্রিক শিবিরের বিপর্যয়ের পর উন্নয়নশীল দেশগুলোর রষ্ট্রের চরিত্র আরও দক্ষিণপন্থী পুঁজিবাদী রূপ ধারণ করেছে। এসব দেশে সাম্রাজ্যবাদনির্ভরতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতি এক মেরু বিশ্বের বদলে বহু মেরুর উদ্ভব হয়েছে। চীন-রাশিয়ার নতুন একটি বলয়ের সৃষ্টির ফলে সম্প্রতি ম্যানুভার করার সুযোগ উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে নতুন করে উপস্থিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বে সুবিশাল বহুজাতিক কোম্পানি, সাম্রাজ্যবাদী অস্ত্র ব্যবসায়ী, পরিবেশবিধ্বংসী জ্বালানি ব্যবসায়ীরা নিজেদের মধ্যে নানা প্রতিযোগিতা ও অবৈরিতামূলক দ্বন্দ্বে লিপ্ত রয়েছের। তাদের মরিয়া স্বার্থের সঙ্গে বিশ্বের শান্তিকামী পরিবেশবাদী সাধারণ মানুষের দ্বন্দ্ব ঘনীভূত হচ্ছে। নিজেদের স্বার্থে এই গোষ্ঠীগুলো এমনকি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধেও লিপ্ত হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর এ রকম আশঙ্কা উঁকি মারতে শুরু করেছে।

এই পটভূমিতে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় যদি সাম্রাজ্যবাদের ওপর নির্ভরশীল লুটেরা ধনিকদের বিভিন্ন গোষ্ঠীর আধিপত্য বজায় থাকে, তা হলে যে মাত্রায় এই আধিপত্য বাড়বে- ওই মাত্রায় বাংলাদেশের পুঁজির কেন্দ্রীভবন বা বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে। দেশীয় সম্পদের বিদেশে পাচার বাড়বে এবং ‘দুষ্টের পালন ও শিষ্টের দমন’ বা দুঃশাসন বৃদ্ধি পেতে থাকবে। বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই শক্তিশালী ঋণখেলাপি, করখেলাপি (কালো টাকার মালিক) ও টাকা পাচারকারী গোষ্ঠীতন্ত্রের বিকাশ ঘটেছে। তারা অসৎ আমলা, অসৎ ব্যবসায়ী ও অসৎ রাজনীতিবিদদের একটি ত্রিভূজচক্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতাকে স্বীয় স্বার্থে ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থবিত্তের অধিকারী হয়েছে। এই নেতিবাচক মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী পরিস্থিতির পরিবর্তন জনগণের সামনে আজ প্রধান এজেন্ডা। এ জন্য সিপিবি বহু আগে থেকেই সমাজতন্ত্রের লক্ষ্যে বিপ্লবী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার স্ট্র্যাটিজি গ্রহণ করেছে।

বিপ্লবী গণতন্ত্র নিছক বুর্জোয়া গণতন্ত্র নয়। বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের জন্য যে মৌলিক নির্বাচনী সংস্কার ও আর্থসামাজিক ব্যবস্থার বদল প্রয়োজন, তা ভবিষ্যতে আমাদের সম্পন্ন করতে হবে দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে। এ জন্য আমাদের স্ট্র্যাটিজি দলিলে ১৭ দফা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি রয়েছে। সেটিকে বাস্তবায়নের জন্য কমিউনিস্ট পাটি তার বহুমুখী ঐক্য ও সংগ্রামে নিয়োজিত আছে। বাজেট বিষয়ে এই প্রারম্ভিক বক্তব্য শুধু এসব সাধারণ কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা বাঞ্ছনীয় নয়, আশু পরিস্থিতির বিপজ্জনক দিক ও ইস্যুগুলো এবং জরুরি করণীয়র কথাও সামনে তুলে ধরা বাঞ্ছনীয়। নিচে এগুলোর উল্লেখ করা হলো-

বাজেট : চ্যালেঞ্জগুলো

আগামী অর্থবছরের বাজেট হচ্ছে অর্থমন্ত্রীর জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’র মতো কঠিন এক পরীক্ষার বছর। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষষের প্রকৃত আয়কে সুরক্ষা দেওয়ার দিকে সর্বপ্রথম নজর দিতে হবে। নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ডলারের বিনিময় হার অতিরিক্ত যেন বৃদ্ধি না পায়, এদিকে নজর দিতে হবে। নানামুখী সমস্যার জন্য নিতে হবে বহুমুখী পদক্ষেপ। যেমন- আমদানি নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, স্বল্পসুদের বৈদেশিক ঋণ ও অনুদানের প্রবাহ বৃদ্ধি ও এর দক্ষ ব্যবহার এবং প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ অনুকূল শর্তে আকৃষ্ট করা; সর্বশেষে অবশ্যই যেখানে যতটুকু দক্ষ আমদানি প্রতিস্থাপন করা সম্ভব, সেখানে তা নিশ্চিত করতে হবে। এর পাশাপাশি সুদের হার মুদ্রাস্ফীতির হারের ওপরে রাখতে না পারলে সঞ্চয় উৎসাহিত হবে না। আবার সুদের হার খুব বেশি হয়ে গেলে বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হবেন। উচ্চপ্রবৃদ্ধির সুবাতাস তখন সহজে বইবে না। তাই অনেক উভবিরোধের ভেতর দিয়ে অর্থমন্ত্রীকে হাঁটতে হবে আগামীতে।

রাজস্ব বাজেটের সীমাবদ্ধতা: এ কথা সাধারণভাবে স্বীকৃত যে, আমাদের রাজস্ব বাজেটের দুটি প্রধান সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কর জিডিপি অনুপাত এমনকি নেপালের চেয়েও কম। সেটিকে ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করতে হবে। কিন্তু তা করার জন্য অপ্রত্যক্ষ করের হার ও ব্যাপ্তি না বাড়িয়ে বৃদ্ধি করতে হবে প্রত্যক্ষ কর এবং বিভিন্ন জায়গায় যে অপচয় ও সিস্টেম লস আছে, এর সাশ্রয় করতে হবে। মনে রাখতে হবে, সাধারণ জনগণের কর প্রদান ক্ষমতা কম। তাই সম্পদশালী ও অবৈধ সম্পদের অধিকারীদের কাছ থেকে এই অর্থ সরকারকে আদায়ের জন্য অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ জন্য চিহ্নিত ঋণখেলাপি, করখেলাপি, টাকা পাচারকারীদের সুনির্দিষ্ট নামের তালিকা প্রণয়ন ও তাদের দ্রুত বিচারের জন্য সুনিদিষ্ট আইন এবং ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা করতে হবে। চীনের বর্তমান নেতৃত্ব ক্ষমতায় এসে দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে যে রকম দুই-একটি দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি প্রদানের ধারা চালু করেছিল, বর্তমান সরকার যেমন যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি প্রদান করে যুদ্ধাপরাধী সমস্যার মতো একটি পুঞ্জীভূত সমস্যার সমাধানে কিছুটা অগ্রসর হতে পেরেছিল- এ রকম কোনো আশু ড্র্যাস্টিক পদক্ষেপ আমাদের নিতে হতে পারে।

একই সঙ্গে আমাদের উৎপাদনশীল ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যেক্তা, উৎপাদনশীল কৃষক সমাজ এবং শ্রমিক শ্রেণির জন্য ইতিবাচক সুবিধাও সৃষ্টি করতে হবে। এই পুরো নেতিবাচক ও ইতিবাচক প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে সরকারের রাজস্ব বাজেটে আয় যেমন বাড়বে, উন্নয়ন ব্যয়ও তেমনি বাড়বে এবং ওই আয়-ব্যয়ের মাধ্যমে সমতাপূর্ণ প্রবৃদ্ধির ধারা সূচিত হবে।

নারী, আদিবাসী, দলিত, প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা : এবারের বাজেটে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তবে এতে শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে (এর একটি বড় অংশই হচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের পেনশনভোগীরা- যারা বয়সে বড় হলেও মোটেও আবশ্যকীয়ভাবে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অংশ নন)। এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারগুলোর আরও সঠিকভাবে নির্ণয় গুরুত্বপূর্ণ। উল্লিখিত বিশেষ গ্রুপগুলোর জন্য ইতিবাচক স্বীকৃতির ব্যবস্থা করতে হবে। এ পর্যায়ে যাতে প্রকৃত বঞ্চিত ব্যক্তিকেই সুবিধাটি দেওয়া হয়, তা নির্ধারণের জন্য বিকেন্দ্রীভূত গণতান্ত্রিক আত্মনির্বাচন পদ্ধতি গ্রহণের সুপারিশ করছি। এখানে আইসিটি টেকনোলজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

ডলার-টাকার বিনিময় হার: ডলার-টাকার বিনিময় হার নিয়ে বিতর্ক চলছে। বাজারে যে বিনিময় হার বিদ্যমান, তা ডলারের চাহিদা ও সরবরাহ দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই হার এখন বাড়ছে। এর প্রধান কারণ দ্বিমুখী। এক. ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধির হার নিয়ে আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি নিয়ে নানা আশঙ্কায় এর ভিত্তি তৈরি হয়েছে। দুই. ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে কিছু প্রয়োজনীয় আমদানি পণ্যের দাম বেড়েছে এবং ডলার ব্যয়ের ব্যাপারে চাহিদাও সম্প্রতি বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া কেউ কেউ মনে করেন, রপ্তানির আন্ডারইনভয়েসিং করে ডলার বাইরে পাচার হচ্ছে এবং রেমিট্যান্সও সরকারি চ্যানেলে না এসে হুন্ডির মাধ্যমে বেশি আসছে। কারণ বাইরের বাজারে ডলারের তেজিভাব। এসবের ফলে সরকারের বিজার্ভে ডলার কমছে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে আগে ডলার বাজারে বিক্রি করে টাকার মূল্যমান ধরে রাখতে পারত, এখন আর তা পারছে না। আমদানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যের দাম ও জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধির জন্য ডলারের চাহিদা বাড়ছে বলে টাকার অবমূল্যায়ন বা ডলারের ঊর্ধ্বমূল্যায়ন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সহনীয় মাত্রায় টাকার কিছুটা অবমূল্যায়ন করা হোক। তবে খেয়াল রাখতে হবে- যাতে আমদানিকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বা রপ্তানিমুখী পণ্যের আমদানিকৃত কাঁচামালের দাম অত্যধিক বৃদ্ধি না পায়। তা হলে দেশে অসহনীয় মুদ্রাস্ফীতির উদ্ভব হবে। এ ধরনের সতর্ক বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা এবং সেটির পদ্ধতি কী হবে, তা নির্ধারণ করাও এই বাজেটের একটি প্রধান চেলেঞ্জ।

বাজেট : ইতিবাচক বনাম নেতিবাচকের দ্বন্দ্ব

এই বাজেটে সমস্যাগুলোর অকপট স্বীকৃতি আছে। চেলেঞ্জগুলোরও বর্ণনা রয়েছে। কিন্তু এগুলো সমাধান করার প্রস্তাব যেটুকু আছে, তা মোটেও যথেষ্ট নয়। বাজেট পড়ে মনে হয়- যেন মাখনের মধ্যে ছুরি চালানোর মতো সহজেই অর্থনীতি এবারও সমৃদ্ধির পথে যাত্রা করবে বলে অর্থমন্ত্রী ভাবছেন। এমনকি করোনা পর্ব আমরা শুধু উচ্চপ্রবৃদ্ধি দিয়েই অতিক্রম করে যাব- এ রকম একটি সরলীকরণ বার্তা এ বাজেটে ফুটে উঠেছে। ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি পূরণের জন্য ব্যাংক ঋণ ও বিদেশি ঋণের চিরাচরিত প্রস্তাব, করপোরেট করকে ছাড় দেওয়া, বাইরের প্রবাসীদের কাছ থেকে কর আদায়ের ইউরোপীয় সুপারিশ, গতানুগতিক স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা বাজেট, সামাজিক সুরক্ষা বাজেটের মধ্যে অন্যান্য ব্যয় ঢুকিয়ে দেওয়া, কৃষি বাজেটের আপেক্ষিক আয়তন হ্রাস ইত্যাদি থেকে এ সত্য প্রমাণিত। এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই নেতিবাচক ও ইতিবাচক শক্তির দ্বন্দ্ব রয়েছে; রয়েছে বাজেট বাস্তবায়িত না হওয়ার প্রবল আশঙ্কা। (চলবে)

ড. এম এম আকাশ : অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়