ভয়াবহ প্রতারণা‘প্রেমের ফাঁদে’ ফেলে

55

তরুণীদের ‘প্রেমের ফাঁদে ফেলে’ ফেলতো মো. ইয়াসির রাতুল (২২) । এরপর একান্ত মুহূর্তের দৃশ্য তরুণীদের ফোনেই ধারণ করতো। সুযোগ সন্ধানী রাতুল ফোনটি চুরি করতো। আর এই দৃশ্য ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত সে। রাতুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলামোটর থেকে রাতুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বলা হয়, নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া রাতুল প্রথমে মিরপুর এক রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে ‘টি বয়’ হিসেবে কাজ করত। পরে মোহাম্মদপুর রিংরোডে এক শোরুমে সেলসম্যানের চাকরি নেয়।

কিন্তু চাকরি ছেড়ে দিয়ে ‘যৌন ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মত’ অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

সিআইডি বলছে, প্রেমের ফাঁদে ফেলে সুন্দরী যুবতীদের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে রাতুল। এরপর সেই যৌনদৃশ্য ভিকটিমের মোবাইলে ধারণ করে মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যেত। সেই মোবাইল বিক্রির আগে ভিকটিমের ভিডিও কন্টেন্ট এবং ফেসবুক আইডির নিজের দখল নিয়ে রাখত। সেটা দেখিয়ে দিনের পর দিন ওইসব তরুণীদের ব্ল্যাকমেইল করত।