Home / ফিচার / মন্ত্রীদের ওপরে কি তাহলে আস্থা নেই?

মন্ত্রীদের ওপরে কি তাহলে আস্থা নেই?

গত পনের মাসে বিভিন্ন সময় এই প্রশ্নটি জোরেশোরেই উঠেছে। মন্ত্রীরা কি তাহলে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না? কিন্তু করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ এবং এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জেলা পর্যায়ে চলমান ত্রাণ কার্যক্রম সুসমন্বয়ের জন্য ৬৪টি জেলায় ৬৪ জন সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়ার পর জাতীয় সংকটে মন্ত্রীদের ভূমিকা অনেকাংশেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। মন্ত্রীদের অনেকের অবস্থানই যে নড়বড়ে তা আরও পরিষ্কার এখন। নেতৃত্ব, দিক নির্দেশনা, পরিকল্পনা, নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা কি আদৌ আস্থার জায়গায় আছেন আর?

মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং মন্ত্রী মর্যাদার উপদেষ্টাদের ৫৪ জনের মধ্যে কি ৬৪ জেলার সংকটকালীন সময়ে চিকিৎসা সুরক্ষা সরঞ্জাম ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নজরদারি এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবীক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার নেতৃত্বের ঘাটতি আছে? তাই যদি না হবে তাহলে সচিবরা এই দায়িত্বে কেন? বৈশ্বিক ও জাতীয় মহামারি যখন আসন্ন সেখানে সরকারের রাজনৈতিক দর্শন দিয়ে মাঠ পর্যায়ে সংকট মোকাবিলায় সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বই চালিকাশক্তি হওয়ার কথা। কিন্তু এই অনুপস্থিতি হাজারো প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর দেশের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব কতখানি বিরক্ত আস্থাহীন এটি তারও একটি নজির। সচিবরা ৬৪ জেলায় ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি, আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয়ের কাজ কতখানি সন্তোষজনকভাবে করতে পারবেন তা ভবিষ্যতই বলে দেবে। কিন্তু সরকারের ভেতরের রাজনৈতিক শক্তি যে উপেক্ষিত এই ঘটনায় সেই বার্তা আছে। যা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক শক্তির জন্য সুখকর নয়। কারণ সচিবদের এই দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে সরকারের রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে ভেতরে ভেতরে আমলাতন্ত্রের এক ধরনের অদৃশ্য মনকষাকষির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস সাক্ষরিত আদেশে ২০ এপ্রিল ৬৪ জেলায় ৬৪ জন সচিবকে সার্বিক ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে অন্তত ছয়জন আছেন যারা আগামী ১৫ দিন থেকে দুই মাসের মধ্যে অবসরে যাবেন। তিন থেকে চার মাসের মধ্যে অবসরে যাবেন জনা পাঁচেক দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব। কয়েকজন নিয়মিত চাকরি শেষ করে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করছেন। আবার দু’একজন সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ অর্জন করলেও তাদের রাজনৈতিক দর্শন, আনুগত্য নিয়ে এক ধোঁয়াশা আছে প্রশাসনের অন্দরেই। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের অনেকে আবার সৎ, দক্ষ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে পক্ষপাতহীন। দেশের আসন্ন সংকট মোকাবিলায় এই দায়িত্ব বণ্টন কতখানি সুদূর প্রসারী বিবেচনার ফল তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

তাহলে সরকারের ভেতরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কে বা কারা বেশি ভূমিকা রাখছেন সেই প্রশ্নও আসবে। আর এর ফলে সরকারের লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চুপিসারে চাপান-উতোরকেও অস্বাভাবিক বলা যাবে না।

শিল্প সচিব আবদুল হালিমকে দেশের অন্যতম বড় ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা বরিশালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আগামী ২৭ মে চাকরি থেকে স্বাভাবিক অবসরে যাবেন। সিনিয়র সচিব ও পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শাহীন আহমেদ চৌধুরীকে দেওয়া হয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা নোয়াখালীর দায়িত্ব। চাকরি থেকে তার স্বাভাবিক অবসরে যাওয়ার কথা আগামী পহেলা জুন। পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন অবসরে যাবেন চলতি বছরের ৯ জুন। তিনিও নওগাঁর মতো একটা বড় জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল অবসরে যাবেন আগামী ২৯ জুন। তিনি চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা এবং ওই জেলার ত্রাণ কার্যক্রম ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমন্বয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী পেয়েছেন নাটোর জেলার দায়িত্ব। তিনি অবসরে যাবেন আগামী ১৪ জুন। প্রশ্ন, স্বল্প সময়ে এরা কি দায়িত্ব পালন করবেন?

করোনা ভাইরাস এবং এ থেকে সৃষ্ট সংকট কতদিন থাকবে গোটা বিশ্ব এখনো এটি জানে না। কিন্তু বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিশ্বনেতারা এটি বিলক্ষণ জানেন যে অর্থনীতিতে এর প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী। তাই জীবন বাঁচিয়ে রাখা, দিনমজুর, কর্মহীন মানুষদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বণ্টনের ওপর দেশে দেশে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকেই এ ব্যাপারে শতভাগ আন্তরিক ও উদার। তাই খাদ্য সামগ্রী ত্রাণ বণ্টনকে বিতর্কহীন করার সবরকম উদ্যোগ বাংলাদেশের সরকার প্রধানের আছে। শুরুতে তৃণমূল স্তরের কতিপয় জনপ্রতিনিধি, মনুষ্যত্বহীন হাতে গোনা কয়েকজন রাজনৈতিক পদাধিকারী ত্রাণের চাল চুরির সাথে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরকেই এক বিরাট প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। আর সেই শঙ্কা, আস্থাহীনতা থেকে জেলায় জেলায় সচিবদের দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল সচিবদের সততা, দক্ষতা, মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের প্রতি আনুগত্য কি প্রশ্নাতীত? মোটেও না। দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার অধিবাসী একজন সচিব, বিএনপি চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তিনি অবসরে যাবেন। প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি তার আনুগত্য নিয়ে আগাগোরাই প্রশ্ন আছে। বিএনপির ঘাঁটি বলে খ্যাত একটি জেলার দায়িত্ব পাওয়া ওই সচিব কতখানি আন্তরিক ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন এই প্রশ্ন যদি প্রশাসনে তার সহকর্মীরাই উত্থাপন করেন তাহলে তা কি সরকারের জন্য খুব একটা স্বস্তিদায়ক?

চাকরি জীবনে কখনো সততার সুনাম নেই এমন একজন সিনিয়র সচিব অবসরে যাওয়ার আগে ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজে সরকারকে কতখানি স্বস্তি দেবেন- তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরে নানা কথা আছে। আবার সদ্য সচিবের মর্যাদা পাওয়া একজন কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক বা তদুর্ধ মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক কাজে যে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেননি তা প্রশাসনেই বহুল চর্চিত। অথচ ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ে তাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বড় একটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন সিনিয়র সচিবের দেশে ও বিদেশে কাজের বিস্তর অভিজ্ঞতা থাকলেও মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা প্রায় শূন্য। এভাবে মাঠ পর্যায়ে খুবই কম কাজের অভিজ্ঞতা আছে এমন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা আচমকাই দেশের সংকটময় মুহূর্তে জেলা পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো স্পর্শকাতর কাজের তদারকি সমন্বয় করবেন। এদের কেউ কেউ ব্যক্তিগত সততা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা আর সরকারের প্রতি প্রশ্নাতীত আনুগত্য দিয়ে অর্পিত দায়িত্বে উতরে যাবেন ঠিকই। কিন্তু বিপরীত যারা?

তাহলে প্রশ্ন তো থেকেই গেল। গুরুতর প্রশ্নটি হলো সরকারের ভেতরে যে রাজনৈতিক শক্তি তাদের ভূমিকা কি। তারা কি দায়িত্ব পালন করছেন? আরও পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে এই সংকটময় মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীকে কি তার মন্ত্রীরা যোগ্য সহযোগিতা করতে পারছেন না? না কি তাদের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখা যাচ্ছে না। যেটিই ঠিক হোক এটি কি খুব ভালো কোন লক্ষণ?

ক্ষেত্রে বিশেষে মন্ত্রীরা আছেন কি নাই সেটিও বোঝা যাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যে ভিডিও কনফারেন্স করছেন সেখানে কোথাও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর উপস্থিতি, বক্তব্য নেই। সচিব ঠিকই আছেন। বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীরা এই সংকটে কেমন যেন গর্তে ঢুকে গেছেন।

মন্ত্রীসভার এক নম্বর সদস্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী। সার্বিক পরিস্থিতিতে সরকারের ভেতরে তার ভূমিকা কী? কোথাও কি কোন তৎপরতায় তিনি দৃশ্যমান? আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সেতু ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মাঝে মধ্যে সংবাদ ব্রিফিংয়ে আসছেন বটে। কিন্তু সরকার পরিচালনায় খুব বেশি ভূমিকা আছে কি? অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা, তথ্য, আইন, পররাষ্ট্র কোন মন্ত্রী সরকার পরিচালনায় সামনের কাতারে? আমরা জানি না। কেউ কি জানেন?

সরকার পরিচালনায় এ মুহূর্তে আমলাতন্ত্র অনেকখানি এগিয়ে এমন আলোচনা আছে। কিন্তু আমলাতন্ত্রেও পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক কর্মকর্তা আছে। আছে উচ্চাভিলাষী অনেকেও। গত কয়েক দশক ধরেই আমাদের দেশে আমলাতন্ত্রের কারো কারো মধ্যে অবসর গ্রহণের পরপরই রাজনীতি ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রবণতাও তীব্রভাবে আছে। চাকরিতে থেকেই নির্বাচনী এলাকা গোছানোর চেষ্টাও বিভিন্ন সময় লক্ষণীয়। এমনকি নিজ এলাকার সংসদ সদস্যের সাথে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে বচসা, প্রকাশ্য বিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও প্রায়শ পত্রিকার পাতার শিরোনামও হয়েছে নিকট অতীতে। করোনা সংকট মোকাবিলার ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ে জেলায় জেলায় সচিবদের দায়িত্ব প্রদান ক্ষেত্রবিশেষ কারো কারো রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষকে আবারও উস্কে দেবে কি না সেই প্রশ্ন তাই থেকেই যাচ্ছে। কারণ দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের অনেকেই নিজ জেলার কর্মকাণ্ড সমন্বয় করবেন। এদের দু-একজন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভবিষ্যতে জড়িত হবেন, এমন আলোচনা আগে থেকেই প্রশাসনের মধ্যে আছে।

ফলে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবদের মনস্তাত্ত্বিক কোন দ্বন্দ্ব হবে কি না সেই আশঙ্কা প্রবলভাবেই থাকছে।

সচিবদের জেলায় জেলায় দায়িত্বের কর্মপরিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারা জেলার মাননীয় সংসদ সদস্য, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধন করে কোভিড ১৯ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার কাজ তত্ত্বাবধান ও পরিবীক্ষণ করবেন। প্রশ্ন, জেলায় জেলায় একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে এটি করা যেত কি- না! তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সুশীল সমাজ, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা অনেক বেশি সহজ হতো। আর বর্তমান মন্ত্রীদের মধ্যে যদি সেই উপযুক্ততা সবার না থাকে তাহলে তাদের বদলে দিয়ে কয়েকজন অভিজ্ঞ দক্ষ আর জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভূক্ত করা যায়। এটিই সর্বাধিক যুক্তিযুক্ত। কারণ ব্যাপক ভিত্তিতে জনগণের আস্থা অর্জন, জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হলে শেষ বিচারে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সাইড লাইনে বসিয়ে রেখে কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাবে না। আর আমলাতন্ত্রকেও আস্থায় নিয়ে কাজ করতে হবে। শেষ বিচারে তাদেরকে অবিশ্বাস, সন্দেহ করাও ঠিক হবে না। কিন্তু বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার প্রশ্ন যেখানে, সেখানে জনগণের প্রতিনিধিরা কি বিষয়টি সহজভাবে নেবেন কি না সেটিও ভেবে দেখার বিষয়। আর আমলাতন্ত্র সম্পর্কেও কিন্তু ভালো-মন্দ দুই ধরনের ধারনাই আছে। গত বছরের ১৭ জুন হাইকোর্ট সচিবদের কর্মকাণ্ড ও সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। একই প্রশ্ন হাইকোর্ট গত বছরের জানুয়ারিতেও তুলেছিল। ফলে সচিবদের এই দায়িত্ব পালনও মোটেই সহজ হবে না।

লেখক: সম্পাদক, দৈনিক ঢাকা টাইমস, ঢাকা টাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং সাপ্তাহিক এই সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: