মানা হচ্ছে না করোনাকালীন নিয়ম ,কুম্ভ মেলায় কোটি কোটি মানুষের জমায়েত

65

কুম্ভ মেলা aভারতের হরিদ্বারে চলছে । এতে যোগ দিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ। এটি বিশ্বের সবথেকে বড় ধর্মীয় জমায়েত। কিন্তু এতে মানা হচ্ছে না করোনা মহামারি চলাকালীন জারি করা নিয়ম কানুন।

দেশটিতে যখন প্রতিদিনই করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তখন সেখানে গঙ্গার তীরে জড়ো হচ্ছেন কোটি মানুষ। জানুয়ারি মাসে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এ বছর ১৫ কোটি মানুষ জড়ো হতে পারে। এখন সেখানে প্রতিদিনই আসছেন ৭ থেকে ৮ লাখ পুণ্যার্থী। কিন্তু বিবিসি জানিয়েছে, সেখানে মাস্ক পরা, থার্মাল স্ক্রিনিং কিংবা কোভিড টেস্ট রিপোর্ট পরীক্ষার কোনো বালাই নেই।

খবরে বলা হয়, এপ্রিল মাসের পুরোটা জুড়েই হরিদ্বারে চলবে কুম্ভমেলা। তার মধ্যে ১২, ১৪ ও ২৭ তারিখ ‘শাহী স্নান’ বা সবথেকে পুণ্য দিন বলে গণ্য করা হয়। সোমবার এই উপলক্ষে হরিদ্বারে ২৮ লক্ষেরও বেশি ভক্ত গঙ্গায় ডুব দিতে জড়ো হয়েছিলেন। এখানে ২০১৩ ও ২০১৯ সালে সবথেকে বড় জমায়েত হয়েছিল।

উইকিপিডিয়ার তথ্যানুযায়ী একেক মেলাতেই ১০ কোটিরও বেশি মানুষ এসেছিলেন। এবারো কোটি মানুষ আসছেন এখানে। কিন্তু তাদের সামান্য অংশকেই কোভিড পরীক্ষা করাতে দেখা গেছে। রবিবার রাত থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত মাত্র ১৮ হাজার তীর্থযাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করানো সম্ভব হয়েছে। যার মধ্যে ১০২ জন পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।
তারপরেও উত্তরাখন্ড রাজ্যের পুলিশ প্রধান অশোক কুমার দাবি করেছেন, হরিদ্বারের কুম্ভমেলাকে তারা কোনো ‘সুপার ¯েপ্রডার ইভেন্ট’ বলে মনে করছেন না। কুম্ভমেলায় ৫৩ হাজার লোকের কোভিড পরীক্ষা করা হলেও তার মধ্যে শনাক্তের হার মাত্র ১.৫ শতাংশ। তা ছাড়া সমাগত ভক্তদের ৯০ শতাংশই রাতে হরিদ্বারে থাকছেন না বলেও তিনি দাবি করেন।
কিন্তু আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে যে, হরিদ্বারে জমায়েত হওয়া লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রীর প্রায় কেউই কিন্তু মাস্ক পরছেন না। মেলায় প্রবেশ করার ক্ষেত্রে কোভিড টেস্টের নেগেটিভ রিপোর্ট দেখানো বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে সেই পরীক্ষার ব্যবস্থা একেবারেই ঢিলেঢালা।