Home / আর্ন্তজাতিক / যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নিচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নিচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব থেকে চারটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সরিয়ে নিয়েছে । ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার সময় সৌদিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছিল। সেখানে নিযুক্ত ছিল কয়েক ডজন মার্কিন সেনাও। বৃহ¯পতিবার তাদেরসহ পুরো ব্যবস্থাগুলোই সৌদি থেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। বার্তা সংস্থা আনাদলুর বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

গত বছর সৌদি আরবের সবথেকে গুরুত্বপূর্ন তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা করে ইয়েমেনের যোদ্ধা সংগঠন হুতি। তবে এর জন্য ইরানকে দায়ি করে আসছে রিয়াদ ও ওয়াশিংটন। ওই হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ব্যবস্থার বেশিরভাগ বিকল হয়ে পরে।

তখন সৌদি আরবের নিরাপত্তার কথা ভেবে ইরানকে মোকাবেলায় প্যাট্রিয়ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই একইসময় হরমুজ প্রণালীতেও সৌদি ও আরব আমিরাত থেকে আসা তেল রপ্তানির জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা হতে থাকে। এর জন্যেও ইরানকে দায়ি করে সৌদি ও তার পশ্চিমা মিত্র রাষ্ট্রগুলো। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সৃষ্টি হয় তুমুল উত্তেজনা।

সৌদি আরব থেকে চারটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার সময় সৌদিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছিল। সেখানে নিযুক্ত ছিল কয়েক ডজন মার্কিন সেনাও। বৃহ¯পতিবার তাদেরসহ পুরো ব্যবস্থাগুলোই সৌদি থেকে সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। বার্তা সংস্থা আনাদলুর বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মিডল ইস্ট মনিটর।

গত বছর সৌদি আরবের সবথেকে গুরুত্বপূর্ন তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা করে ইয়েমেনের যোদ্ধা সংগঠন হুতি। তবে এর জন্য ইরানকে দায়ি করে আসছে রিয়াদ ও ওয়াশিংটন। ওই হামলায় সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ব্যবস্থার বেশিরভাগ বিকল হয়ে পরে।

তখন সৌদি আরবের নিরাপত্তার কথা ভেবে ইরানকে মোকাবেলায় প্যাট্রিয়ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওই একইসময় হরমুজ প্রণালীতেও সৌদি ও আরব আমিরাত থেকে আসা তেল রপ্তানির জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা হতে থাকে। এর জন্যেও ইরানকে দায়ি করে সৌদি ও তার পশ্চিমা মিত্র রাষ্ট্রগুলো। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সৃষ্টি হয় তুমুল উত্তেজনা।

তবে সেই উত্তেজনা কিছুটা কমেছে বলেই এবার ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এর কাজ শুরুও হয়ে গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, ইরান এখন আর সৌদিতে মার্কিন স্বার্থে কোনো বড় হুমকি নয়। তবে প্রয়োজনে তাদেরকে আবারো সৌদিতে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বড় হুমকি চীনকে মোকাবেলায় কোথাও এটি স্থাপন করা হবে।

তবে সেই উত্তেজনা কিছুটা কমেছে বলেই এবার ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এর কাজ শুরুও হয়ে গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন, ইরান এখন আর সৌদিতে মার্কিন স্বার্থে কোনো বড় হুমকি নয়। তবে প্রয়োজনে তাদেরকে আবারো সৌদিতে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বড় হুমকি চীনকে মোকাবেলায় কোথাও এটি স্থাপন করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

%d bloggers like this: