সরকার সুযোগ দিয়েছে বিভিন্ন সময়ে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনতে : কাদের

17

সরকার কোনো বাধা দিচ্ছে না দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তারা প্রয়োজনে দেশের বাইরে থেকে চিকিৎসক ‘নিয়ে আসুক’খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় । গতকাল শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাজেট প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক। খবর বিডিনিউজের।

হৃদযন্ত্রের সমস্যা নিয়ে শুক্রবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা। পরে তার চিকিৎসায় গঠিত বোর্ডের সিদ্ধান্তে শনিবার এনজিওগ্রাম করা হয়। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, তার হৃৎপিণ্ডের ব্লক অপসারণ করে সফলভাবে একটি ‘স্টেন্ট’ বসানো হয়েছে।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা দিতে বিএনপির দাবির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার কী জন্য দায়–দায়িত্ব নেবে? তিনি কী মির্জা ফখরুল সাহেবের আন্দোলনে মুক্ত আছেন? এটা শেখ হাসিনার উদারতা ও মানবিকতায় মুক্ত আছেন তিনি। বাসায় থাকার অধিকার পেয়েছেন। চিকিৎসার ব্যাপারে কোনো বাধা নেই। তাদের এতো যদি ইচ্ছা হয় দেশের বাইরে থেকে চিকিৎসক আনুক। অসুবিধা তো নাই।

এ সময় কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর ঠেকানো যাচ্ছে না এবং তারা পরিবারিক কাজে সরকারি যানবাহন ব্যবহার করছেন জানিয়ে এমন অপচয় রোধে বাজেটে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা না থাকার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এটা বাজেটে কেন? প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশে যাওয়া নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন। যার ইচ্ছা সে বিদেশে চলে যাবে, এটা মন্ত্রী হোক বা কর্মকর্তা হোক, কারো ব্যাপারে এটা আর উৎসাহিত করা হবে না

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের অনেক টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে, করের মাধ্যমে এ ফেরত আনতে সরকার সুযোগ করে দিয়েছে। এর সুফলটা বাংলাদেশ পেতে পারে।

করের মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার ঘোষণায় পাচারকারীরা আরও উৎসাহিত হবে কি না, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটা ঠিক সেইভাবে দেখলে হবে না। দেশের অনেক টাকা পাচার হয়ে গেছে। অন্যান্য দেশে এই ধরনের সুযোগ দেওয়া হয়। আমরা সেই সুযোগটা দিচ্ছি। এই বাজেটের দেওয়া সুযোগে আমরা সুফল পেতে পারি।আমরা দেখি, যদি এই সুযোগের সুফল না আসে তাহলে আমরা সুযোগটা উঠিয়ে নেব।