অমানুষিক নির্যাতনের বর্ণনা দিতে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ভাূলকায় বন বিভাগ কর্তৃক আটক পাইওনিয়র স্পিনিং লিমিটেডের দুই কর্মচারী জামিনে মুক্ত হয়ে । সিকিউরিটি র্গাড মো: সেলিম বলেন, তাদেরকে হাত-পা বেধে তুলে নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুরী দিয়ে পিটিয়েছে বনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পায়ের তালুসহ শরীরের হাড়গুলো ভেঙ্গে দেয় তারা। ড্রাইভার অন্তর বলেন, মারধর করেই খান্ত হয়নি। গাড়িতে তুলে পায়ের বুট দিয়ে পারিয়ে হাড়গোড় ভেঙ্গে দিয়েছে। হাতে-পায়ে ধরেও রক্ষা পাইনি।
আজ বুধবার সকালে জামিনে মুক্ত হয়ে প্রথমে ভালুকা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিকালে তাদের অবস্থা অবনতি হলে গুরুতর আহত ২ কর্মচারীকে ভালুকা হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে রেফার্ড করে।
গত ১৬ই এপ্রিল ময়মনসিংহে বিজ্ঞ আদালত ১৭ই এপ্রিল ভালুকা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাকে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বিচারক মো: হাফিজ আল আসাদ।
ভুক্তভোগী সূত্র জানায়, ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী এলাকার মেহেরাবাড়ী মৌজায় প্রায় ১১একর জমি ক্রয় করে সম্প্রতি পাইওনিয়র স্পিনিং লিমিটেডের নির্মান কাজ শুরু করেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: বাদশা মিয়া। কিন্তু বন বিভাগের ভালুকা রেঞ্জ অফিস ওই জমিটি তাদের দাবী করে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ আদালতে স্থিতি অবস্থার নির্দেশ চাইলে ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত বিবাদীকে আদালতে হাজির হয়ে বাখ্যা করার নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক গত ১৫ই এপ্রিল আদালতে বিবাদী মো: বাদশা মিয়া হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করলে বিজ্ঞ আদালত সন্তোষ প্রকাশ করে পূর্বের স্থিতি অবস্থার আদেশ প্রত্যাহার করেন।
মো: বাদশা মিয়া জানান, স্থিতি অবস্থা প্রত্যাহারের পরদিন গত ১৬ই এপ্রিল কোম্পানীর সিকিউরিটি র্গাড মো: সেলিম(৩৯) ও ড্রাইভার অন্তর হোসেন(২৯)কে কর্মরত অবস্থায় স্থাণীয় বনবিভাগের কর্মকর্তারা ধরে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় মিথ্যা মামলায় আদালতে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় ভালুকা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
