অর্থমন্ত্রী গত দুই বাজেটের মতো আগামী অর্থবছরের বাজেটেও সবার জন্য পেনশনের কথা বলেছেন । তবে এবারও সুষ্পষ্ট কোনো রূপরেখা দেওয়া হয়নি।
বৃহস্পতিবার সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, ‘সরকারি যে পেনশন ব্যবস্থা রয়েছে, তাতে জনসংখ্যার খুব সামান্য একটি অংশ এই সুবিধার আওতায় রয়েছে। দেশের সংগঠিত ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের সব কর্মীকে ক্রমান্বয়ে পেনশন সুবিধার আওতায় আনতে শিগগিরই ইউনিভার্সাল পেনশন অথরিটি গঠন করবে সরকার।’

গত জুনে চলতি অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময়ও সার্বজনীন পেনশনের বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন সে সময়ের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের মধ্যে এ নিয়ে একটি রূপরেখা দেওয়া হবে। আর পুরোপুরে চালু না হলেও একটি পাইলট প্রকল্প চালু হবে। ধীরে ধীরে সবাইকে পেনশন সুবিধার আওতায় আনা হবে।

উন্নত বিশ্বে সরকারি চাকুরেদের মতো বেসরকারি চাকুরেরাও পেনশন সুবিধা পান। তারা যখন আয় করেন, তখন এর একটি অংশ জমা রাখেন তারা পেনশন তহবিলে। আর সরকারও সেখানে একটি অংশ দিয়ে থাকে। অবসরে গেলে সে তহবিল থেকে মাসোহারা পেয়ে থাকে তারা।

তবে বাংলাদেশে পেনশন সুবিধা কেবল সরকারি চাকুরেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আর বেসরকারি চাকুরেরা অবসরে যাওয়ার পর আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েন অনেকখানি।

পেনশনভোগীদের অর্থ তোলার ক্ষেত্রে ভোগান্তি কমানোর কথাও বলেন অর্থমন্ত্রী। জানান, তাদের মাসিক বরাদ্দ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে চলে যাবে।

এই পদ্ধতিতে বর্তমানে ২৭ হাজার পেনশনভোগী তাদের টাকা পাচ্ছেন। আগামী অর্থবছরে সব পেনশনভোগী এই পদ্ধতির আওতায় চলে আসবেন।

Share Now
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930