যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা মিত্র দেশগুলোর ওপর কার্যকর না করার নির্দেশনা দিয়েছে । নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ছয়টি মুসলিম দেশকে টার্গেট করে দেয়া এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের ওপর প্রয়োগ করা উচিত নয়। বর্তমানে ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞা দেশটির সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নবম ইউএস সার্কিট কোর্টের দেয়া এই নির্দেশনা সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর হবে না। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এ বছরের শুরুতে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরপরই কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ট্রাম্প।
যদিও দেশে ও দেশের বাইরে এই সিদ্ধান্ত ব্যাপক সমালোচিত হয়। নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে দেয়া এই নির্দেশনায় নিম্ন আদালতের পূর্ববর্তী আদেশ সঙ্কুচিত করা হয়েছে। পূর্বে নিম্ন আদালতের আদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যাদের সুসম্পর্ক আছে তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বলা হয়েছিল। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাদ, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। তিনি বলেন,
যুক্তরাষ্ট্রকে সন্ত্রাসবাদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন রয়েছে। ছয় মুসলিম দেশ ছাড়াও উত্তর কোরিয়া ও ভেনিজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিবাসী বিচারকদেরকে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিচার বিভাগের এই নির্দেশনায় নিঃসঙ্গ অভিবাসী তরুণদের সুরক্ষায় কিছু কঠোর নীতি বাদ দেয়া হয়। ২০শে ডিসেম্বর দেয়া বিচার বিভাগের মেমোতে বলা হয়, যেসব নিঃসঙ্গ শিশুরা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, তাদের বিচার করার ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রয়োগ করা হবে। পাশাপাশি বিচারকার্য পরিচালনা করার সময় কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখার কথা বলা হয়। এতে তরুণ অভিবাসীদেরকে শিশু সম্বোধনের পরিবর্তে ১৮ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়। এ আগে ২০০৭ সালে অপ্রাপ্ত বয়স্ক অভিবাসীদের বিচারিক নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল। ১০ বছর পর তা আবার সংশোধন করা হলো। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন নির্দেশনায় আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে জটিলতা আরো বৃদ্ধি পাবে। অভিবাসন বিষয়ক আদালতের বিচারকদের মুখপাত্র বলেছেন, নিদের্শনার ধরনে বিচারকরা উদ্বিগ্ন।
যুক্তরাষ্ট্রকে সন্ত্রাসবাদের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার প্রয়োজন রয়েছে। ছয় মুসলিম দেশ ছাড়াও উত্তর কোরিয়া ও ভেনিজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অভিবাসী বিচারকদেরকে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিচার বিভাগের এই নির্দেশনায় নিঃসঙ্গ অভিবাসী তরুণদের সুরক্ষায় কিছু কঠোর নীতি বাদ দেয়া হয়। ২০শে ডিসেম্বর দেয়া বিচার বিভাগের মেমোতে বলা হয়, যেসব নিঃসঙ্গ শিশুরা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, তাদের বিচার করার ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা প্রয়োগ করা হবে। পাশাপাশি বিচারকার্য পরিচালনা করার সময় কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখার কথা বলা হয়। এতে তরুণ অভিবাসীদেরকে শিশু সম্বোধনের পরিবর্তে ১৮ বছরের কম বয়সী অবিবাহিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়। এ আগে ২০০৭ সালে অপ্রাপ্ত বয়স্ক অভিবাসীদের বিচারিক নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল। ১০ বছর পর তা আবার সংশোধন করা হলো। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন নির্দেশনায় আদালতের বিচারিক কার্যক্রমে জটিলতা আরো বৃদ্ধি পাবে। অভিবাসন বিষয়ক আদালতের বিচারকদের মুখপাত্র বলেছেন, নিদের্শনার ধরনে বিচারকরা উদ্বিগ্ন।
