সাবে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক টেবিলে বসেন সাবেক ছয় উপদেষ্টা, ছিলেন সদ্য সাবেক গভর্নরও। (ছবিতে বাঁ দিক থেকে) বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সি আর আবরার, ফাওজুল কবির খান, সালেহউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, আহসান এইচ মনসুর ও শেখ বশিরউদ্দীনছবি: সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্ট থেকে
সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ইফতার করলেন সাবেক উপদেষ্টাদের অনেকে। গতকাল শুক্রবার সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের মিন্টো রোডের বাসায় এই আয়োজন হয়।
সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান তাঁর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ছবি: সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া।
সেখানে সাবেক উপদেষ্টাদের পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। আরও যোগ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন।
আপন অঙ্গনে ফিরলেন অধ্যাপক ইউনূস
সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান তাঁর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ছবি: সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া
সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক ফেসবুক পোস্টে জানান, ফাওজুল কবির খান ও তাঁর পরিবার মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন ছেড়ে দিচ্ছেন। আগামীকাল (শনিবার) তাঁরা একটি ভাড়া বাসায় উঠবেন।
শফিকুল আলম ফেসবুকে ইফতার ও নৈশভোজের অনেকগুলো ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।
এমন অপমানজনক অপসারণ কি গভর্নরের প্রাপ্য ছিল
সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান তাঁর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন করেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ছবি: সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলমের ফেসবুক পোস্ট থেকে নেওয়া।
ইফতার ও নৈশভোজে সাবেক উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন সালেহউদ্দিন আহমেদ, আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মো. তৌহিদ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সি আর আবরার, শেখ বশিরউদ্দীন, শারমীন এস মুরশিদ, এ কে এম সাখাওয়াত হোসেন, ফরিদা আখতার, বিধান রঞ্জন পোদ্দার ও সুপ্রদীপ চাকমা।
