দেশটির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা চলমান সংঘাত বন্ধে ইসরাইলের কোনো আগ্রহ নেই বলে জানিয়েছেন । সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই ইঙ্গিত দেন। শীঘ্রই ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে কোনো ধরণের যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাও বাতিল করে দিয়েছেন তিনি। সংবাদ মাধ্যমটিকে তিনি জানান, বর্তমানে এ ধরণের কোনো বিষয়ে আলোচনা চলছে না। চলছে না কোনো দর কষাকষিও। হামাসের পক্ষ থেকেও কোনো ধরণের প্রস্তাব নেই। সব মিলিয়ে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি এখন আর ভাবা হচ্ছে না।
এদিকে নবম দিনে এসেও উভয় পক্ষের মধ্যে চলছে পাল্টাপাল্টি হামলা।
তবে এদিন প্রথমবারের মতো গাজায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গত ১০ই মে শুরু হওয়া এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২১২ ফিলিস্তিনি। এরমধ্যে অন্তত ৬১ জন শিশু এবং ৩৬ জন নারী। অপরদিকে হামাসের রকেট হামলায় ইসরাইলে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন।
রয়টার্স জানিয়েছে, হামাস তাদের দীর্ঘ পাল্লার রকেট হামলা কমিয়ে দিয়েছে। ইসরাইলের পক্ষ থেকেও হামলার মাত্রা কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। তবে এখনই যুদ্ধবিরতির কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। গত সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একটি যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত সেটিকে উপেক্ষিতই মনে হচ্ছে। ইসরাইল জানিয়েছে, তারা হামাসের অবস্থান টার্গেট করে হামলা অব্যাহত রাখবে।
গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও চলছে সংঘাত। সেখানে গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন ফিলিস্তিনিরা। ইসরাইলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মঙ্গলবার পশ্চিমতীরে এক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের বন্দুক ও বিস্ফোরক নিয়ে হামলার চেষ্টা করলে তাকে গুলি করা হয়। একইসঙ্গে জর্ডান থেকে একটি ড্রোন ইসরাইলে প্রবেশ করার সময় সেটিকে ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে এটি কাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল তা জানায়নি ইসরাইল।
