বহুল আলোচিত ধর্ষণের শিকার কিশোরী মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বগুড়ায়। রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানান ফরেনসিক বিভাগ। ডাক্তাররা জানান মেয়েটি নাবালিকা। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কে এম সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে গত সোমবার মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। শুক্রবার সকালে তদন্ত প্রতিবেতন প্রকাশ করা হয়। চলমান মামলাটির ডক্তারি পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার হাতে ইতোমধ্যেই পৌছেছে।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ রিপোর্টটি হাতে পাওয়ার খবর নিশ্চিৎ করে জানান, চিকিৎসকদের দেওয়া প্রতিবেদনে মেয়েটিকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। প্রতিবেদনে মেয়েটি প্রাপ্তবয়স্ক নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই বাড়ি থেকে ক্যাডার দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে এক ছাত্রীকে বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক তুফান সরকার ধর্ষণ করেন। ঘটনা ধামাচাপা দিতে দলীয় ক্যাডার এবং এক নারী কাউন্সিলরকে ধর্ষণের শিকার মেয়েটির পেছনে লেলিয়ে দেন। ২৮ জুলাই বিকেলে তাঁরা ওই ছাত্রী ও তার মাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চার ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালান। এরপর দুজনেরই মাথা ন্যাড়া করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় এই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ২৮ জুলাই রাতে তুফান সরকার, তাঁর স্ত্রী আশা সরকার, আশা সরকারের বড় বোন বগুড়া পৌরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর মার্জিয়া আকতারসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দুটি মামলা করেন। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত নয়জনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
