দুপুর ঠিক ২টা। ‘মহামান্য’ রাষ্ট্রপতি আসছেন আপনাদের লাউঞ্জে সংসদ বিটের সাংবাদিকদের পরিচিত মুখ রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব জয়নাল আবেদিন এসে জানালেন। এতে কেউ অবাক না হলেও সতর্ক হলেন সবাই। আগে থেকে না জানলেও অনেকটা যেন প্রত্যাশিতই মনে হচ্ছিল সবার কাছে। ধারণাটা এমন যে, বর্তমান রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ তো আসবেনই সাংবাদিক লাউঞ্জে। কারণ সাংবাদিকরা তাকে আপন লোক বলেই মনে করে। তাই তাঁর এই আগমনী বার্তা যেন আগে থেকেই সবাই জানতো।
রাষ্ট্রপতিও তাই বিন্দুমাত্র সংশয় কিংবা ন্যূনতম কোনো প্রটোকল বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই চলে আসেন সাংবাদিকদের কাছে। এরপর একান্ত আলাপচারিতায় মাতলেন কয়েক মিনিট। বোঝা গেল- সাংবাদিক ও সংসদ কোনোটারই মায়া কাটাতে পারেননি আবদুল হামিদ। তাই কিছুক্ষণের জন্যে হলেও সেই চিরচেনা সাংবাদিক লাউজ্ঞে প্রবেশ করতে ভুলেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের বাজেট বক্তৃতা চলাকালে হঠাৎ করেই আসেন সংসদ ভবনের ছয় তলার সাংবাদিক লাউঞ্জে। খোঁজ-খবর নেন সাংবাদিকদের। জানতে চান কেমন চলছে? কোনো সমস্যা রয়েছে কি না?
এ সময় ঢাকাটাইমসের প্রতিবেদক রাষ্ট্রপতির কাছে জানতে চান আপনি কেমন আছেন? তখন তিনি বলেন, ‘আর কেমন থাকবো, বন্দী জীবন।’
এসময় রাষ্ট্রপতি হাওরের মানুষের দুর্দশার কথাও তুলে ধরেন। নিজের জীবনে এত আগাম বন্যা কখনো দেখেননি জানিয়ে হাওরবাসীর জন্য সরকারের নেয়া পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।
প্রায় ২০ মিনিটের মতো অবস্থান শেষে সাংবাদিক লাউঞ্জ ত্যাগ করেন তিনি।
