ইসরায়েল হঠাৎ করেই ইরানে হামলা করে মধ্যপ্রাচ্যকে ভয়ংকর অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। আক্রমণের বেলায় ইসরায়েল ও আমেরিকা কোনো আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা করেনি। নিয়ম বহির্ভূত এমন হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে তেহরানও।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর আইআরজিসি। তার মাঝেই পরিকল্পিতভাবে খামেনির মৃত্যুর গুজব ছড়াচ্ছে ইসরায়েলি কিছু গণমাধ্যম।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বেনামে কিছু গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে তারা জানতে পেরেছে খামেনি ওই হামলায় প্রাণ হারিয়ে থাকতে পারেন অথবা অন্ততপক্ষে গুরুতর জখম হয়েছেন।
তবে এখন পর্যন্ত ইসরায়েল বা ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এই খবরের কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের নেতৃত্বের ওপর চালানো এই হামলা ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং এতে শাসকগোষ্ঠীর উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারাও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
ইসরায়েলের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘কান’ জানিয়েছে, হামলার পর থেকে খামেনির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আগে জানিয়েছিল যে সর্বোচ্চ নেতা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন, তবে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি সেই ভাষণটি আগে থেকেই রেকর্ড করা থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছে, থামেনির মৃত্যুর গুজব ছড়ানোও ইরানের কূটকৌশল। তারা খামেনি ভুয়া মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে সাধারণ ইরানিদের মন ভেঙে দিতে চায়। এটা একরকম মনস্তাত্ত্বিক লড়াই।
