একটি বাস ভাঙচুর এবং বাসের চালক-হেলপারকে মারধরের প্রতিবাদে জেলায় বাস ধর্মঘট চলছে। শনিবার সকাল থেকে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি-বান্দরবানসহ বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছে লোকজন। শহরের বিভিন্ন কাউন্টারে যাত্রীরা এসে ফিরে গেছেন।
বাস মালিক সমিতি ও পরিবহন শ্রমিকদের ডাকে এই ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। বাস মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দিন সেলিম জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকালে খাগড়াছড়ি থেকে রাঙামাটি ফেরার পথে কুতুকছড়িতে ব্যারিকেড দিয়ে বাস থামিয়ে ৩০/৪০ জন যুবক লাঠি নিয়ে রাঙামাটি-জ ৩০৭১ গাড়িটি ভাঙচুর করে। এছাড়া তাদের মারধরে গাড়ির চালক শাহাদাত হোসেন ও হেলপার আরমানকে গুরুতর আহত করে। হামলাকারীরা যাত্রীদের ওপরও হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবহন নেতারা ঘটনাস্থল থেকে আহত চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। আহতদের রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার জন্য পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠক ইউপিডিএফ কে দায়ী করেছেন।
তবে ইউপিডিএফ নেতা মাইকেল চাকমা বলেছেন, ‘যারা রমেল চাকমাকে হত্যা করেছে তারাই বাস বন্ধ করেছে। বাস ভাঙচুরের সঙ্গে ইউপিডিএফ জড়িত নয়। স্থানীয় জনগণ ক্ষুদ্ধ হয়ে এই ঘটনা ঘটাতে পারে।’
রাঙামাটি কোতয়ালি থানার অফিসার্স ইনচার্জ মুহাম্মদ রশীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলাকারীদের কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ রাস্তার ব্যারিকেড সরিয়ে ফেলে।
