উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে গুপ্তচরের ওপর নার্ভ গ্যাস প্রয়োগ করা নিয়ে রাশিয়া ও বৃটেনের মধ্যে। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে। সর্বশেষ মস্কো থেকে বৃটেনের কূটনীতিক কমপক্ষেখ ৫০ জন কমিয়ে আনতে বলেছে রাশিয়া। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ায় নিয়োজিত বৃটেনের টেকনিক্যাল স্টাফও। বৃটেনে রাশিয়ান গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার মেয়ে ইউলিয়ার ওপর নার্ভ গ্যাস প্রয়োগ করা নিয়ে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্ক্রিপাল বৃটেনের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই ৬ এর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করছিলেন।
ফলে তার ওপর নার্ভ গ্যাস প্রয়োগ করার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করছে বৃটেন। কিন্তু দায় অস্বীকার করেছে রাশিয়া। এ নিয়ে সংঘাতময় অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে দেশ দুটির মধ্যে। এরই সূত্র ধরে লন্ডনে রাশিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমানে তল্লাশি চালায় বৃটেন। এর ব্যাখ্যা দাবি করেছে মস্কো। রাশিয়া বলেছে, বৃটেনের কোনো বিমান রাশিয়া স্পর্শ করলে একই ঘটনা ঘটতে পারে। অন্যদিকে বৃটেনে গেলে সরকারি হয়রানির আওতায় পড়তে পারে এ জন্য রাশিয়ার নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে বৃটেন ভ্রমণের ক্ষেত্রে। গুপ্তচরের ওপর নার্ভ গ্যাস প্রয়োগ করায় এরই মধ্যে শতাধিক রাশিয়ান কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে পশ্চিমা দেশগুলো। এর মধ্যে বৃটেন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ২৩ জনকে।
