দেশে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ রোহিঙ্গা অবৈধভাবে অবস্থান করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন। কক্সবাজার জেলার জনসংখ্যার প্রায় ২০/২৫ ভাগই রোহিঙ্গা। তারা সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত ব্যাপক ক্ষতি করছে। এমনকি তারা মাদকদ্রব্য পাচার ও উৎপাদন, চোরাচালান, অস্ত্র এবং মানব পাচারসহ বিভিন্ন প্রকার অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে। এই জনগোষ্ঠী স্থানীয় শ্রমবাজার ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। যারা ভবিষ্যতে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। বৃহস্পতিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ নতুন নয়। ১৯৭৮-৭৯ সালে মিয়ানমার থেকে প্রায় ২ লাখ রোহিঙ্গা এদেশে অনুপ্রবেশ করে। ১৯৯১-৯২ সালে ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ জন ও ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭৫ হাজার রোহিঙ্গা এদেশে প্রবেশ করেছে। কক্সবাজারের নয়াপাড়া ও কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থানরত মিয়ানমারের শরনার্থীদের পেছনে সরকারের প্রতিবছর ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
