টেকনাফের ২ জেলে বিকাশের মাধ্যমে দাবিকৃত মুক্তি পণের টাকা পরিশোধ করে বন্দি দশা থেকে ১ মার্চ ফিরেছেন । টেকনাফ উপজেলার উপকুলীয় ইউনিয়ন বাহারছরার শামলাপুরে ঘটেছে এঘটনা। সাগরে জলদস্যুদের অপতৎপরতার প্রতিকার চেয়ে বিষয়টি ২৮ ফেব্রুয়ারী অনুষ্টিত টেকনাফ উপজেলা আইন শৃংখলা ও চোরাচালান প্রতিরোধ টাস্কফোর্স কমিটির সভায় বাহারছরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওঃ আজিজ উদ্দিন গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেন। এসময় তিনি সাগরে মৎস্য শিকারে নিয়োজিত জেলেদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানান। জেলে ২ জন হলেন বাহারছরা ইউনিয়নের উত্তর শীলখালী মৃত মোস্তাক মিয়ার পুত্র আবদুল্লাহ (৩৫) এবং শামলাপুর নোয়াপাড়া নুর মোহাম্মদের পুত্র মোঃ আলম (৩৭)।
বাহারছরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওঃ আজিজ উদ্দিন শামলাপুরের বহদ্দার ছৈয়দুল ইসলামের বরাত দিয়ে জানান ২৬ ফেব্রুয়ারী দুপুরে বাহারছরা উত্তর শীলখালী মৃত ছৈয়দ করিমের পুত্র রশিদ আহমদ এবং শামলাপুর নোয়াপাড়া নুরু মাঝির পুত্র বেলাল উদ্দিনের মালিকানাধীন ২টি ফিশিং বোট ১২ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়েছিল। সাগরে জলদস্যুর দল ফিশিং ট্রলার ২টি থেকে জাল ও মাছ লুট করে বেলাল উদ্দিনের মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারটি ভাসিয়ে দিয়ে রশিদ আহমদের মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারসহ উত্তর শীলখালী মৃত মোস্তাক মিয়ার পুত্র আবদুল্লাহ মাঝি (৩৫) এবং শামলাপুর নোয়াপাড়া নুর মোহাম্মদের পুত্র মোঃ আলমকে (৩৭) অপহরণ করে মহেশখালী নিয়ে যায়। সেখান থেকে কুতুবদিয়া নিয়ে বন্দি করে রাখে। তাঁদেরকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু হলে জলদস্যুরা অপহৃতদের মাধ্যমে মুক্তি পণের টাকা দাবি করে বিকাশ নম্বর দেয়। দাবিকৃত টাকা না দিলে হত্যা করে তাদের লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। উপায়ান্তর না দেখে ফিশিং ট্রলার মালিক ও আতœীয়-স্বজনরা বাহারছরা শামলাপুরের ৬টি মোবাইল থেকে জলদস্যুদের দেয়া ৩টি বিকাশ নম্বরে দাবিকৃত টাকা পাঠানো হয়। বিকাশ নম্বরগুলো হচ্ছে ০১৮৩৭১৯২৮৯৩, ০১৮৫১২৪১৩৩৭, ০১৮৭১৮৫৪০০৬। টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুরের বিভিন্ন দোকান থেকে পাঠানো বিকাশ এজেন্ট নম্বরগুলো হলো ০১৭৫৮৭১৮৪৫০, ০১৭৩০৬২৮৫৬৩, ০১৮৪৭০৬১৪৪৬, ০১৮৫২৪৯৪৮৭১, ০১৮৫০৭৯৭৮৩৬। অপহরণের পর দেন-দরবার ও দর কষাকষিতে ২ দিন চলে যায়। ২৮ ফেব্রুয়ারী দাবিকৃত টাকা বিকাশের মাধ্যমে পৌঁছানোর পর ১ মার্চ তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
বাহারছরা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওঃ আজিজ উদ্দিন শামলাপুরের বহদ্দার ছৈয়দুল ইসলামের বরাত দিয়ে জানান ২৬ ফেব্রুয়ারী দুপুরে বাহারছরা উত্তর শীলখালী মৃত ছৈয়দ করিমের পুত্র রশিদ আহমদ এবং শামলাপুর নোয়াপাড়া নুরু মাঝির পুত্র বেলাল উদ্দিনের মালিকানাধীন ২টি ফিশিং বোট ১২ জন মাঝি-মাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে গিয়েছিল। সাগরে জলদস্যুর দল ফিশিং ট্রলার ২টি থেকে জাল ও মাছ লুট করে বেলাল উদ্দিনের মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারটি ভাসিয়ে দিয়ে রশিদ আহমদের মালিকানাধীন ফিশিং ট্রলারসহ উত্তর শীলখালী মৃত মোস্তাক মিয়ার পুত্র আবদুল্লাহ মাঝি (৩৫) এবং শামলাপুর নোয়াপাড়া নুর মোহাম্মদের পুত্র মোঃ আলমকে (৩৭) অপহরণ করে মহেশখালী নিয়ে যায়। সেখান থেকে কুতুবদিয়া নিয়ে বন্দি করে রাখে। তাঁদেরকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু হলে জলদস্যুরা অপহৃতদের মাধ্যমে মুক্তি পণের টাকা দাবি করে বিকাশ নম্বর দেয়। দাবিকৃত টাকা না দিলে হত্যা করে তাদের লাশ সাগরে ভাসিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। উপায়ান্তর না দেখে ফিশিং ট্রলার মালিক ও আতœীয়-স্বজনরা বাহারছরা শামলাপুরের ৬টি মোবাইল থেকে জলদস্যুদের দেয়া ৩টি বিকাশ নম্বরে দাবিকৃত টাকা পাঠানো হয়। বিকাশ নম্বরগুলো হচ্ছে ০১৮৩৭১৯২৮৯৩, ০১৮৫১২৪১৩৩৭, ০১৮৭১৮৫৪০০৬। টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুরের বিভিন্ন দোকান থেকে পাঠানো বিকাশ এজেন্ট নম্বরগুলো হলো ০১৭৫৮৭১৮৪৫০, ০১৭৩০৬২৮৫৬৩, ০১৮৪৭০৬১৪৪৬, ০১৮৫২৪৯৪৮৭১, ০১৮৫০৭৯৭৮৩৬। অপহরণের পর দেন-দরবার ও দর কষাকষিতে ২ দিন চলে যায়। ২৮ ফেব্রুয়ারী দাবিকৃত টাকা বিকাশের মাধ্যমে পৌঁছানোর পর ১ মার্চ তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
