cigaret_116678

ঢাকা: তামাকজাত দ্রব্য তরুণ সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। টিসিআরসি, ডাব্লিউবিবি ও বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের বক্তারা বলেছেন, সরকারের উচিত এই তামাকজাত দ্রব্যের ওপর বেশি করারোপ করা। যে দেশে যত বড় ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবাণী দেয়া হয়, সে দেশে তামাকের ব্যবহার দ্রুত কমছে।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তামাকবিরোধী মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। মানববন্ধনের আয়োজন করে টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্স সেল (টিসিআরসি), ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট (বাটা)।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে ২০১৫ সালে সংশোধিত আইনের বিধিমালা প্রণয়ন করে। সংশোধিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী ১৯ মার্চ থেকে সচিত্র সর্তকবাণী সম্বলিত প্যাকেট বাজারে এসেছে। কিন্তু আইন অনুযায়ী কোনো তামাক কোম্পানি মোড়কের উপরিভাগে সচিত্র স্বাস্থ্য সর্তকবাণী দেয়নি।

বক্তারা বলেন, আইনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের মোড়ক, প্যাকেট, কার্টন বা কৌটায় উল্লিখিত সতর্কবাণী ও সংশ্লিষ্ট ছবি ক্রমানুসারে তিন মাস পর পর পরিবর্তন করতে হবে এবং তা মোড়ক, প্যাকেট, কার্টন বা কৌটার উভয় পাশের উপরিভাগের ৫০ শতাংশ এলাকা জুড়ে থাকতে হবে। কিন্তু বাস্তবে তা দেখা যায় না বলেও জানান তারা।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের ৪৯ শতাংশের বেশি জনগোষ্ঠী তরুণ। তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণে এই যুবসমাজ ক্রমে ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এছাড়া তামাকজাত নেশার মাধ্যমে তরুণরা ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ নানা রকম মাদকের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে তরুণদের তামাকের মরণনেশায় নিরুৎসাহিত করতে তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী খুবই জরুরি।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031