জনগণ বিস্মিত তুরস্কের। কারণ, আচমকা আগাম নির্বাচন ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। বুধবার তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী আগামী জুনে সেখানে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। এখন সেখানে চলছে জরুরি অবস্থা। আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে জোট বাঁধার ক্ষেত্রে নতুন পট পরিবর্তন ঘটেছে দেশটির। সিরিয়া যুদ্ধে ক্রমশ বেশি থেকে বেশি হারে যুক্ত হচ্ছে তুরস্ক।
উল্লেখ্য, জানুয়ারির শেষের দিকে সিরিয়ার আফ্রিন প্রদেশে সামরিক অভিযান শুরু করে তুরস্কের সেনাবাহিনী ও ফ্রি সিরিয়ান আর্মির যোদ্ধারা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ওই এলাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থনপুষ্ট কুর্দি যোদ্ধাদের সরিয়ে দেয়া। এসব কুর্দি যোদ্ধা পিপলস প্রটেকশন ইউনিটস নামে পরিচিত। আঙ্কারা মনে করে সিরিয়ার কুর্দি ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন পার্টি এবং তাদের সশস্ত্র থাখা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ওয়াইপিজি হলো সন্ত্রাসী গ্রুপ। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আছে নিষিদ্ধ কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে)। এই ওয়াইপিজির বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযানে ক্ষুব্ধ হয়েছে ওয়াশিংটন। তুরস্ক ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত। এ জোটের মিত্ররা যখন ওয়াইপিজেকে সমর্থন দেয়া শুরু করলো তখন হতাশ হয়ে পড়ে তুরস্ক। এরই মধ্যে সিরিয়া যুদ্ধ শেষ করতে ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করা শুরু করে তুরস্ক। জ্বালানি থেকে প্রতিরক্ষা সহ বহুবিধ ইস্যুতে মস্কোকে সহযোগিতা বাড়িয়ে দেয় তুরস্ক।
