পুলিশ সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য জড়ো করে রাখা ১৭ জন মিয়ানমারের নাগরিকসহ দুই দালালকে আটক করেছে টেকনাফে । তাঁদের মধ্যে চারজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। টেকনাফ থানা-পুলিশ আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাতিয়ারগোনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুদ্দিন খান জানান, আজ ভোরে মিয়ানমার থেকে কিছু লোককে টেকনাফে এনে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের এককটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় পাচারকারীদের দালাল বুলবুলির বাড়ি থেকে দুই দালাল ও মিয়ানমারের ১৭ জন নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় পাঠানোর রোহিঙ্গা শিবির থেকে তাঁদের সেখানে আনা হয়। এরপর ফাতেমা বেগম নামের এক দালাল তাঁদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন।
ওসি আরও বলেন, আটককৃতরা জানিয়েছেন তাঁরা তিন-চার মাস আগে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। সুযোগ বুঝে তাঁদের মালয়েশিয়া পাঠানোর চেষ্টা চলছিল। দালাল দুজনের নাম মো. খলিল ওরফে প্রকাশ ও বুলবুলি। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। –
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুদ্দিন খান জানান, আজ ভোরে মিয়ানমার থেকে কিছু লোককে টেকনাফে এনে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে- এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের এককটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। ওই সময় পাচারকারীদের দালাল বুলবুলির বাড়ি থেকে দুই দালাল ও মিয়ানমারের ১৭ জন নাগরিককে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় পাঠানোর রোহিঙ্গা শিবির থেকে তাঁদের সেখানে আনা হয়। এরপর ফাতেমা বেগম নামের এক দালাল তাঁদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০ হাজার টাকা নিয়েছেন।
ওসি আরও বলেন, আটককৃতরা জানিয়েছেন তাঁরা তিন-চার মাস আগে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। সুযোগ বুঝে তাঁদের মালয়েশিয়া পাঠানোর চেষ্টা চলছিল। দালাল দুজনের নাম মো. খলিল ওরফে প্রকাশ ও বুলবুলি। এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। –
