বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রান্তিক এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত স্বেচ্ছাসেবী আনসার-ভিডিপির প্রায় ৬১ লাখ স্বেচ্ছাসেবী সদস্যস্যের মধ্যে দেড় লাখ সদস্যের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে ।
রবিবার সকালে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ঢাকা জেলা কার্যালয় থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ঢাকা জেলার সাভার, ধামরাই, কেরানীগঞ্জ, নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
আনাসার সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, আজ থেকে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই ত্রাণ কার্যক্রম বিতরণ করা হবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের এক সপ্তাহের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার প্রতি উপজেলায় ৩০০ পরিবার হিসেবে ৪৯২ উপজেলায় মোট এক লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ পরিবার এবং ঢাকা মহানগরের ২০ থানায় ৬০০ পরিবারের মধ্যে এক সপ্তাহের খাবার বিতরণ করা হবে।
ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রায়েছে, পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি আলু,এক কেজি ডাল, এক কেজি তেল, এক কেজি পেঁয়াজ, একটি সাবান ও একটি মাস্ক।
ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক ও রেঞ্জ কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, ঢাকা জেলা কমান্ড্যান্ট আফজাল হোসেন, সহকারী পরিচালক (স্পেশাল) মো. শরফুজ্জামান, সহকারী পরিচালক(টিডিপি) মো. আশরাফুল হকসহ ঢাকা জেলার বাহিনীর অন্যান্য কর্মকর্তারা।
এসময় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক ও রেঞ্জ কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের নির্দেশে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি সদস্য শুরু থেকেই বিভিন্ন কার্যক্রমে তাদের দায়িত্ব যাথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদের নির্দেশে সারাদেশের ৪৯২টি থানা এবং মহানগরীর বিভিন্ন থানায় প্রায় এক লাখ ৫৫ হাজার সদস্যের মধ্যে আমরা ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নয়টি রেঞ্জের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা জেলার ১৩টি জেলার ২৮টি উপজেলা এবং মহানগরীর ২০ থানা সর্বমোট ৩২ হাজার ৪০০ জন এ সুবিধা পাবে।
এছাড়াও মহাপরিচালকের নির্দেশে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটা সদস্য দেশের যেকোনো দুর্যোগ জনগণের পাশে থেকে সরকারকে সহায়তা করবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আনাসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক (গনসংযোগ) মেহেনাজ তাবাছুম রেবিন বলেন, আমাদের ডিজি স্যারের নির্দেশে প্রকৃতিক দুর্যোগের আভাসের কারণে হাওরাঞ্চলের কৃষকের ধান আমাদের ভিডিপির সদস্যরা স্বেচ্ছায় কেটে দিচ্ছেন।
