সরকার ধর্ষণ প্রতিরোধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ধর্ষণের ভয়াবহতা কার্যকরভাবে মোকাবিলায় গ্রামেগঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় ছাত্র, জনতা, সংবাদকর্মী, নারী, মানবাধিকার কর্মী, সংস্কৃতসেবী, শ্রমজীবী, কর্মজীবী, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের জনগণ ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ‘ধর্ষণ হত্যা প্রতিরোধ কমিটি’ গড়ে তুলতে হবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম রব বলেছেন। এই উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। শুক্রবার দলের এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আ স ম রব বলেন, সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার মাধ্যমে দেশকে দুর্নীতি, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার কুফল জাতি প্রত্যক্ষ করছে। জনগণের সম্মতিবিহীন দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতা আঁকড়ে থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্র যে ধ্বংসের শেষপ্রান্তে উপনীত হয় তার প্রমাণ বাংলাদেশ। দুর্নীতি ও ধর্ষণে জড়িতরা সবাই সরকারি প্রশ্রয়ে ক্ষমতাধর।
সরকারের সদিচ্ছার অভাবে ক্ষমতাধরদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয় না। আইন বদল করলেও লাভ হবে না। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয়ে সারাদেশে দুর্বৃত্ত শ্রেণি জন্মলাভ করেছে। এই দুর্বৃত্ত শ্রেণিকে প্রতিরোধ করার নৈতিক ক্ষমতা সরকারের নেই। সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে জনগণের এই প্রতিরোধ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। জনগণের এই প্রতিরোধ আন্দোলনকে জন বিস্ফোরণে রূপান্তর করতে হবে।
দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, ডা. জবিউল হোসেন, কামাল উদ্দিন পাটোয়ারী, অ্যাড. সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, আমিন উদ্দিন বিএসসি, লোকমান হাকিম, অ্যাড. সৈয়দা ফাতেমা হেনা, আমির উদ্দিন মাস্টার, মতিউর রহমান মতি, অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব, সেলিম জামান চৌধুরী, এস এম রানা চৌধুরী, ব্যারিস্টার ফারাহ খান, আজম খান, মীর জিল্লুর রহমান, ফারজানা দিবা, বোরহান উদ্দিন চৌধুরী রোমান।