আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলা মোড়ে । এ সময় কুলবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ও ঝিনাইদহ পৌরসভার কর্মচারী সাদ আহম্মেদ চাঁদ (৩০) সহ বেশ কয়েকজন আহত হন। ভাংচুর করা হয়েছে হরিণাকুন্ডু ছাত্রলীগের অফিস। তবে হরিণাকুন্ডু থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, কোন মারামারি হয়নি। কথা কাটাকাটি হয়েছে মাত্র।
প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ৮টার দিকে হরিণাকুন্ডু ছাত্রলীগের অফিসে সংগঠনের জেলা সভাপতি রানা হামিদের নেতৃত্বে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেনের পক্ষে সভা করছিল। এ সময় নৌকার সর্মথকরা আকস্মিকভাবে হামলা করে অফিস ও ১৩টি মটরসাইকেল ভাংচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হরিণাকুন্ডু উপজেলায় নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমান জোয়ারদার বলেন, আমার প্রতিপক্ষ মটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থী বহিরাগতদের নিয়ে মহড়া দিচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা তাদের প্রতিহত করেছে মাত্র। ছাত্রলীগের কোন অফিসে হামলা হয়নি বলেও তিনি জানান। এদিকে হরিণাকুন্ডু উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছাত্রলীগের ইবি শাখার সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন অভিযোগ করেন, হরিণাকুন্ডু উপজেলা মোড়ে ছাত্রলীগের অফিসে আমরা সভা করছিলাম।
এ সময় নৌকার প্রার্থী মশিয়ার রহমান জোয়ারদার, পৌর মেয়র শাহিনুর রহমান রিন্টু ও সাইফুল কমিশনারের নেতৃত্বে আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে অফিস ভাঙচুর ও আমাদের ১৩টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করে। তিনি বলে নৌকার প্রার্থী যেটা বলেছেন সত্য বলেননি। হরিণাকুন্ডু থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, সেখানে কোন মারামারি হয়নি, কথা কাটাকাটি হয়েছে।
