অবশ্যই পূর্ন মর্যাদায় ও নিরাপদে তাদের নিজ বাসভূমিতে ফিরিয়ে নিতে হবে রোহিঙ্গাদের। ১৩৮তম সম্মেলনে আমরা সকল আইপিইউ সদস্য দেশের প্রতি আহবান জানাই যে, রোহিঙ্গা সমস্যার মূল থেকে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন বিশ্ব জনমত গঠন করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংসদীয় সংস্থা হিসেবে আইপিইউ এর সংসদ সদস্যগণ একত্রিত থাকলে বিশ্বের বাস্তুভিটাহীন নিপীড়িত মানুষগুলোর সমস্যা সমাধান সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। আজ স্থানীয় সময় বিকেলে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টারপার্লামেন্টারী ইউনিয়নের ১৩৮ তম সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা চীফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এসব কথা বলেন। চীফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তার প্রথম ভাষণে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত শান্তিপূর্ণ সুন্দর পৃথিবীর যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সেই স্বপ্নের কাছাকাছি পৌঁছে বিশ্বকে একটি নতুন বার্তা প্রদান করছে। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি দেশের উচিত সার্বজনীন বিশ্ব মানবধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা ।

 এসময় আইপিইউ সদস্য দেশগুলোকে সার্বজনীন বিশ্বমানবাধিকার লংঘনকারী দেশের বিরুদ্ধে একত্রিত থাকার আহবান জানান চীফ হুইপ। মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের প্রতি নির্মম নির্যাতন ও তাদের নিজস্ব ভিটামাটি থেকে বিতাড়িত হওয়ার বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায় অবগত আছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার এ পরিস্থিতিকে “টেক্সট বুক অন ক্রিমিনাল অব এথনিক ক্লিনজিং” অভিধায় আখ্যায়িত করেছেন। চীফ হুইপ বলেন,বাস্তহারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ঘটনা আমাদের কাছে এটাই প্রথম নয়। এই বিপন্ন মানবতার পাশে দাড়ানো প্রতিটি মানুুষের দ্বায়িত্ব বলে আমরা মনে করি। রোহিঙ্গাদের এই দূর্দশায় যদি বাংলাদেশ পাশে না দাড়ায় তবে তা হবে অমানবিক । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিবেশী মিয়ানমারের প্রায় ১০ লক্ষ শরনার্থীদের প্রতি তার মমতা ও ভালবাসার কারনে তিনি “মাদার অব হিউম্যানিটি” খেতাবে ভূষিত হয়েছেন ।
Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031