রাজনীতি থেমে নেই করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক এবং ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের বিপর্যয় সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গে । বিজেপির সাবেক সভাপতি অমিত শাহ ইতিমধ্যে ভার্চুয়াল জনসভা করেছেন। রাজ্য বিজেপি প্রতিদিন রাজনীতির অঙ্কে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও তার নেত্রীকে আক্রমণ করে বিবৃতি দিয়ে চলেছেন। পাল্টা আক্রমণ করে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ছোটবড় নেতারাও। এরই মধ্যে একটি জনমত সমীক্ষা প্রকাশ হওয়ার পর রাজ্য রাজনীতি বেশ চনমনে হয়ে উঠেছে। সিএনএক্স-এবিপি আনন্দের জনমত সমীক্ষায় ইঙ্গিত দেওয়া হযেছে, এখন নির্বাচন হলে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসই জয়ী হবে। তবে তাদের কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে হবে। সমীক্ষার মতে, ৩৮.৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ১৫৫ থেকে ১৬৩টি বিধানসভা আসন পেতে পারে।

অন্যদিকে রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল বিজেপি ৩২.৭৪শতাংশ  ভোট পেয়ে ৯৭ থেকে ১০৫টি আসন পেতে পারে। আর বাম-কংগ্রেস জোটের দিকে যেতে পারে ২২ থেকে ৩০টি আসন। তবে এই সমীক্ষা অনুযায়ী, কোনও দলকে সমর্থনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি ৯.৫৩ শতাংশ মানুষ । রাজনৈতিক মহলের মতে, এই অংশের ভোট শেষ পর্যন্ত কোন দিকে যাবে, তার উপরে অনেক সমীকরণ নির্ভর করছে। এই অংশের সিংহভাগের সমর্থন তৃণমূলের দিকে গেলে তারা নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেতে পারে। আর  বিজেপির দিকে গেলে সরকার গড়া নিয়ে টানা টানি হবে। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূল কংগ্রেসএবং বাম-কংগ্রেসের আসন এই সমীক্ষা অনুযায়ী কমবে। বাড়বে বিজেপির আসন। তবে গত বছর অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনের (রাজ্যে ১৮টি আসন জিতেছিল বিজেপি)হিসাবে বিজেপির আসন কিছু কমবে। তৃণমূলের আসন প্রায় একই থাকবে। আবার লোকসভা ভোটের নিরিখে কিছু আসন বাড়বে বাম-কংগ্রেসের। সমীক্ষায় ইঙ্গিত মিলেছে, সংখ্যালঘূ ভোটের পুরোটাই এবার তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে না যাবার সম্ভাবনাই বেশি। বরং সংখ্যালঘুরা তাদের পুরনো পছন্দ বাম ও কংগ্রেসের দিকেই যেতে পারে। অবশ্য রাজ্যে নির্বাচন হবে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে। এই সময়ের মধ্যে রাজ্যে নানা ইস্যুতে রাজনীতি সরগরম হবে। সেই সব ইস্যুতে কোন পক্ষ বাজিমাত করবে তার উপরও নির্ভর করবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031