(এসডিজি) অর্জন করতে হলে প্রতিবছর ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়াতে হবে বাংলাদেশকে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য । একই সঙ্গে সকলের জন্য নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার প্রয়োজন। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা (আঙ্কটাড) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে। আজ বুধবার জাতিসংঘের সদস্যভূক্ত ৪৭টি স্বল্পোন্নত দেশে একযোগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

 এতে সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, গবেষণা ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বক্তব্য রাখেন। ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ সৌর বিদ্যুৎতের ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি করেছে। ২০১৬ সালে এই খাতে ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, সৌর বিদ্যুৎ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় সরকারও এই খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমাতে হলে এই খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরী। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চল যে পরিমাণ বিদ্যুৎ সু্বধিা পায় গ্রামাঞ্চল সেই তুলনায় অনেক কম সুবিধা পাচ্ছে।অথচ বাংলাদেশের মত স্বল্পোন্নত দেশে কৃষিখাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে যদি নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ-জ্বালানি না থাকে তাহলে কৃষি উৎপাদন ব্যহত হয়। যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জাতীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিবেদন অনুযায়ী-স্বল্পোন্নত ৪৭টি দেশের মোট জনসংখ্যার ৬২ শতাংশ ৫৭৭ মিলিয়ন বিদ্যুৎ সেবার বাইরে রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এদের সবার জন্য বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে হলে- গত এক দশকে যে হারে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা হয়েছে,সেই তুলনায় প্রতিবছর ৩৫০ শতাংশ হারে নতুন সংযোগ বাড়াতে হবে। মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভিশন-২০৪১ অর্জনের ক্ষেত্রে টেকসই,সাশ্রয়ী এবং আধুনিক জ্বালানীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।দারিদ্র বিমোচনের ক্ষেত্রেও এর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
Share Now
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930