নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বহর আজ পৌঁছাবে তেল আবিবে।প্রথমবারের মতো ভারতের কোন প্রধানমন্ত্রী পা রাখতে চলেছেন ইসরায়েলের মাটিতে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের তেল আবিব এবং রামাল্লায় যৌথ সফরের মাধ্যমে যেটুকু ভারসাম্য রাখার ছিল, তা করা হয়েছে। এবার শুধুমাত্র ইসরায়েল সফরে গিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানির বিষয়টিকে যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে গোপনীয়তার ঘেরাটোপ থেকে বের করে নিয়ে আসাটাই প্রধান লক্ষ্য।
কূটনৈতিক সূত্রের খবর, গত ১৮ বছর ধরেই ভারতীয় নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা কাঠামো বহুলাংশে ইসরায়েল নির্ভর। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় থেকে যার শুরু। মুম্বই হামলা এবং সংসদ আক্রান্ত হওয়ার পরেও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়েছিল ভারত।
মোদির ইসরায়েল সফরে নয়াদিল্লির কূটনীতিকদের মধ্যে চলছে একটি রসিকতা। বলা হচ্ছে, এত দিন ইসরায়েলের কাছ থেকে নেওয়া ভারতের নিরাপত্তা সহযোগিতা ছিল অনেকটা হিমশৈলের মতো! অর্থাৎ তার সামান্য অংশই ছিল সর্বসমক্ষে। বাকিটা গভীর পানিতে। এবার সারা বিশ্বের সামনে সেটা আনতে চলেছে দুই দেশ।
মোদির ইসরায়েল সফরে সাইবার প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, এই তিনটি ক্ষেত্রেই ভারত-ইসরায়েল সহযোগিতার কথা ঘোষণা করা হবে। মাঝারি পাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার, ড্রোন এবং যোগাযোগের প্রযুক্তি ভারতকে সরবরাহ করবে ইসরায়েলি সংস্থা। গোয়েন্দা প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও করা হবে নতুন পদক্ষেপ।
