যুক্তরাষ্ট্রের স্লোয়ান স্টিফেন্স ও ম্যাডিসন কেইস ইউএস ওপেনে নারী এককে এবার নতুন ফাইনালিস্ট পেলো। শিরোপার লড়াইয়ে শনিবার মুখোমুখি হবেন । দু’জনই সেমিফাইনালে হারিয়েছেন স্বদেশি দুই খেলোয়াড়কে। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ৭ বারের গ্র্যান্ড স্লামজয়ী ভেনাসকে ৬-১, ০-৬, ৭-৫ গেমে হারিয়েছেন স্লোয়ান স্টিফেন্স। আর অন্য সেমিতে কোকো ভেন্ডেওয়েগেকে ৬-১, ৬-২ গেমে উড়িয়ে দিয়েছেন ম্যাডিসন কেইস। স্টিফেন্স ও কেইস- দু’জনই প্রথমবারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলেন। এতে ২০০২ সালের পর ইউএস ওপনের ফাইনালে মুখোমুখি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই খেলোয়াড়। সর্বশেষ সেবার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই বোন ভেনাস ও সেরেনা উইলিয়ামস। ভেনাস ওই একবারই ইউএস ওপেনের ফাইনালে ওঠেন। সেবার ছোট বোনের কাছে হেরে যান তিনি। অভশ্য তার আগে টানা দুই বছর শিরোপা জেতেন তিনি। তবে ৩৭ বছর বয়সী এ খেলোয়াড় সেমিফাইনালে হেরে গেলেন তারচেয়ে ১৩ বছর কম বয়সী অবাছাই এক খেলোয়াড়ের কাছে।
স্টেফান্স টানা ১১ মাস ছিলেন পায়ের ইনজুরিতে। ইনজুরি থেকে যখন ফেরেন দখন টেনিস র্যাঙ্কিংয়ে তার অবস্থান ছিল ৯৫৭! তবে ইউএস ওপেনের আগে কোর্টে ফিরেই দুর্দান্ত খেলতে শুরু করেন। ফাইনালের আগ পর্যন্ত ১৬ ম্যাচের ১৪টিই জিতেছেন তিনি। এতে উঠে এসেছেন র্যাঙ্কিংয়ের ৮৩তম স্থানে। তবে এবার অবাছাই হিসেবে ইউএস ওপেনে খেলেন। দুই আমেরিকান ফাইনালে ওঠাকে দেশটির নারী টেনির খেলোয়াড়দের দাপট হিসেবেই দেখছেন স্টেফান্স। বলেন. ‘সেমিফাইনালের চারজনই যুক্তরাষ্ট্রের হওয়ায় দেশটির নারী টেনিস খেলোয়াড়দের দাপটই প্রমাণিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের এমন সাফল্যের ভাগিদার হতে পেরে আমি গর্বিত।’ নিজের ফাইনালে ওঠার নিয়ে বলেন, ‘কীভাবে ফাইনালে উঠলাম তা আসলে বলতে পারছি না।
